২০১৪ সালে মুক্তি পেয়েছিল অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী পরিচালিত ছবি 'বুনো হাঁস'। তার পর কেটে গিয়েছে বারো বছর। তবে এবার কানাঘুষো, 'বুনো হাঁস'-এর সিক্যুয়েলে নাকি খুব দেরি নেই! তাহলে কি সত্যই সত্যিই পর্দ্যায় ফিরতে চলেছে অমল? জল্পনা তুঙ্গে।
আসলে সম্প্রতি পরিচালক অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরীর বাড়িতে গিয়েছিলেন দেব। সেখানেই হেঁশেলে কফি বানাতে বানাতে অভিনেতা-পরিচালকের আড্ডার মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি হয়। আর সেখান থেকেই 'বুনো হাঁস'-এর সিক্যুয়েলের জল্পনার সূত্রপাত। আদৌ কি তাই? জানতে ফোনে ধরা হয়েছিল পরিচালক অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরীকে। তিনি এদিন সন্ধ্যায় পুণেতে। 'ডিয়ার মা' ছবির বিশেষ স্ক্রিনিং অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। ফোনে জানালেন , "দেব আর আমি খুবই ভালো বন্ধু। আমরা প্রায়ই আড্ডা দিয়ে থাকি। আমাদের আড্ডার সেভাবে কোনও অ্যাজেন্ডা থাকে না। সাউথ সিটির বাড়িতে এইভাবে আড্ডা দিতে গিয়েই 'বুনো হাঁস'-এর জন্ম হয়েছিল।" এই ছবির সিক্যুয়েল তাহলে কতদূর? এই বছরেই কি ফিরবে অমল?
উত্তরে পরিচালক জানান, "অমল দেব ছাড়া কেউ হতে পারত না এটা ঠিক। সিক্যুয়েল হবেই এই কথা নিশ্চিত করে বলা যায় না। অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করছে। তবে আমরা পরস্পরের সঙ্গে কাজ করতে চাই। একটা দারুণ কিছু পেলে নিশ্চয়ই করব। তবে এটুকু বলতে পারি, দেবকে মাথায় রেখে একটা গল্প ডেভেলপ করছি। সেটা আগে তৈরি হোক, তারপর বাকিটা দেখা যাবে।" 'বুনো হাঁস' অভিনেতা দেবের প্রথম অন্য ধারার ছবি যেখানে সুপারস্টার নায়কের ইমেজ ভেঙে অমলের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। সেটাই শুরু। অনেকেই তখন বলেছিলেন দেবের দর্শক বা ভক্তরা এই নতুন ইমেজের জন্য তৈরি ছিলেন না সেই সময়ে। কিন্তু পরিবর্তিত সময়ে দেব নানা এক্সপেরিমেন্ট করে ফেলেছেন। এমন আবহে এখন 'বুনো হাঁস' মুক্তি পেলে কেমন হত? উত্তরে পরিচালক অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী জানালেন , "একটা কথা লিখতে পারো 'বুনো হাঁস' আমি আবার রি-রিলিজ করাতে চাই।" দেবের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করবেন, এমনটাই পরিচালকের ইচ্ছে।
