১২ এপ্রিল, রবিবাসরীয় বেলায় ইহজগতের মায়া ত্যাগ করে অমৃত সুরালোকের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছেন আশা ভোঁসলে। শোকে মুহ্যমান 'অভিভাবকহীন' সঙ্গীতদুনিয়া। সোমবার সকাল থেকেই মুম্বইয়ের লোয়ার প্যারেলে জনঅরণ্য। শেষবারের জন্য 'আশা তাই'কে শ্রদ্ধা জানাতে হাজির হয়েছেন সমগ্র সিনেইন্ডাস্ট্রি থেকে রাজনৈতিক, ক্রীড়াদুনিয়ার ব্যক্তিত্বরা।
সোমবার ১০টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত কাসা গ্র্যান্ডের বাড়িতে জাতীয় পতাকায় মুড়ে শায়িত রাখা হয়েছিল আশা ভোঁসলের দেহ। সেখানেই শ্রদ্ধা জানতে পৌঁছে যান মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবিস, শচীন তেন্ডুলকর, রাকেশ রোশন অনুরাধা পাড়ওয়াল, জ্যাকি শ্রফ, এআর রহমান, তাব্বু, রীতেশ দেশমুখ, শচীন পিলগাঁওগকর, আশুতোষ গোয়ারিকর -সহ আরও অনেকে। বেলা চারটে নাগাদ শিবাজি পার্কে সম্পন্ন হবে কিংবদন্তী শিল্পীর শেষকৃত্য। সেখানেও উপস্থিত থাকবেন দেবেন্দ্র ফড়ণবিস। তার প্রাক্কালেই পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্দাযায় শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানো হল আশা ভোঁসলেকে। সেখানেই 'আশা তাই'কে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন শচীন। স্ত্রী অঞ্জলি তেন্ডুলকরও ছিলেন সঙ্গে।
একুশ তোপে শিল্পীকে বিদায় জানানোর সময়ে চোখের জল আর ধরে রাখতে পারেননি কন্যা জায়ান। বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, কাসা গ্র্যান্ডের বাড়িতে শিল্পীদের শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানোর পর ইতিমধ্যেই আশা ভোঁসলের নিথর দেহ নিয়ে শিবাজী পার্কের উদ্দেশে রওনা হয়েছে তাঁর পরিবার।
শনিবার রাতে আচমকাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন আশা ভোঁসলে। খবর প্রকাশ্যে আসতেই শিল্পীর আরোগ্য কামনায় রত হনস তারকামহল থেকে অনুরাগীরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও কিংবদন্তী শিল্পীর জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তবে শেষ রক্ষা আর হয়নি! রবিবাসরীয় দুপুরে চিরঘুমের দেশে পাড়ি দেন আশা ভোঁসলে। সোমবার বিকেলে শেষকৃত্যের জন্য শিবাজী পার্কে ইতিমধ্যেই একে একে আসতে শুরু করেছেন সিনেদুনিয়া, সঙ্গীতজগতের ব্যক্তিত্বরা।
