shono
Advertisement
Asha Bhosle

শেষ ইচ্ছেপূরণ, চোখের জলে বারাণসির ঘাটে আশা ভোঁসলের অস্থি বিসর্জন ছেলে-নাতনির

সোমবার গঙ্গার ঘাটে পুজোপাঠের মাধ্যমে আশা ভোঁসলে বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে তাঁর চিতাভষ্ম বিসর্জন দেন গায়িকাপুত্র। সঙ্গে ছিলেন আশার শেষজীবনের সবসময়ের সঙ্গী নাতনি জনাই। কেন মায়ানগরী থেকে সপরিবারে বারাণসিতে গিয়ে অস্থি বিসর্জন করা হল?
Published By: Sandipta BhanjaPosted: 03:35 PM Apr 20, 2026Updated: 04:08 PM Apr 20, 2026

১২ এপ্রিল, গত রবিবাসরীয় বেলায় ইহজগতের মায়া ত্যাগ করে অমৃত সুরালোকের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছেন আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle)। ১৩ এপ্রিল কিংবদন্তি পরিবার-পরিজন, সেলেবপাড়ার স্বজন, হাজার হাজার গুণমুগ্ধ অনুরাগীদের বৃত্তে শিবাজী পার্ক সংলগ্ন ভাগোজি বালুজি কীর হিন্দু শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন পুত্র আনন্দ ভোঁসলে। একসপ্তাহ পর এবার বারাণসির ঘাটে কিংবদন্তি গায়িকার অস্থি বিসর্জন করল পরিবার।

Advertisement

বারাণসির ঘাটে কিংবদন্তি গায়িকার অস্থি বিসর্জন করল পরিবার। ছবি- সংগৃহীত

সোমবার গঙ্গার ঘাটে পুজোপাঠের মাধ্যমে আশা ভোঁসলে বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে তাঁর চিতাভষ্ম বিসর্জন দেন গায়িকাপুত্র। সঙ্গে ছিলেন আশার শেষজীবনের সবসময়ের সঙ্গী নাতনি জনাই। ঠাকুমার অস্থি বিসর্জন রীতি পালন করতে গিয়ে এদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন জনাই। আনন্দের পাশে দাঁড়িয়ে যখন পুজোর রীতি পালন করছিলেন তখন চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বারাণসি থেকে সেই ক্যামেরাবন্দি মুহূর্ত ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে গঙ্গার ধারে ভোঁসলে পরিবারকে একসঙ্গে বসে শ্রাদ্ধকর্মে করতে দেখা যায়। কিন্তু মায়ানগরী থেকে সপরিবারে বারাণসিতে গিয়ে কেন অস্থি বিসর্জন করা হল?

ঠাকুমার মৃত্যুশোক যে এখনও জনাই সামলে উঠতে পারেননি, গঙ্গার ঘাটে তাঁর অশ্রুসজল চোখ, শোকবিহ্বল চেহারাই বুঝিয়ে দেয়। আশার মৃত্যুর পর গত কয়েক দিনে একাধিকবার আবেগপ্রবণ বার্তা ভাগ করে নিয়েছেন জনাই। আশার চলে যাওয়া টেলিঅভিনেত্রীর জীবনে এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি করেছে।

গায়িকার পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে যে, নবতিপর শিল্পীর শেষ ইচ্ছে ছিল তাঁর চিতাভষ্ম যেন বারাণসির গঙ্গাতেই বিসর্জন দেওয়া হয়। সেই প্রেক্ষিতেই আশার শেষ ইচ্ছেকে সমর্থন জানিয়ে সেখানেই অস্থি ভাসানোর রীতি পালন করল ভোঁসলে পরিবার। ঠাকুমার মৃত্যুশোক যে এখনও জনাই সামলে উঠতে পারেননি, গঙ্গার ঘাটে তাঁর অশ্রুসজল চোখ, শোকবিহ্বল চেহারাই বুঝিয়ে দেয়। আশার মৃত্যুর পর গত কয়েক দিনে একাধিকবার আবেগপ্রবণ বার্তা ভাগ করে নিয়েছেন জনাই। আশার চলে যাওয়া টেলিঅভিনেত্রীর জীবনে এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি করেছে। শেষকৃত্য সেরে এসে সে রাতে জনাই লিখেছিলেন, 'সকালে ঘুম থেকে উঠে আর কাকে জড়িয়ে ধরব?' এবার বারাণসির ঘাটে অস্থি ভাসাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement