এককালের গোরস্থানে গজিয়ে উঠেছে পাঁচতারা বিলাসবহুল হোটেল! নিত্যরাতে পর্যটকদের ঘোরাফেরায় অস্বস্তিতে 'ভূত বাবাজি'রা। তেনারা বেচারা যান কোথায়? আদিম পরিচয়পত্র দেখিয়েও কাজ হচ্ছে না। অতঃপর মনুষ্য সভ্যতার সঙ্গে সহাবস্থানে যেতে রোজ রাতে লড়ে যেতে হচ্ছে ভূতেদের। যত্ত অভিযোগ নিয়ে এবার তারা জমায়েত হয়েছে 'ভানুপ্রিয়া হোটেলে'। রাজ্যজুড়ে এসআইআর আবহের মাঝে কি তাহলে ভূতেরাও বাস্তুচ্যূত হওয়ার ভয়ে?
উইন্ডোজ-এর নতুন হরর-কমেডি সিনেমার ট্রেলার দেখে এমন কৌতূহল জাগা অস্বাভিক নয়! একঝাঁক তারকাকে নিয়ে নতুন বছরের ২৩ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে আসছে 'ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল' (Bhanupriya Bhooter Hotel)। তার প্রাক্কালেই ভূতেদের জমজমাট কাণ্ডকারখানা দেখিয়ে যেমন পেটে খিল ধরালেন পরিচালক অরিত্র মুখোপাধ্যায়, তেমনই অদ্ভূতুড়ে সব কারসাজি দেখলে শিরদাঁড়া দিয়ে হিমস্রোত বইতে বাধ্য! ট্রেলারে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, 'ঘোস্টরা ফিরে এলে গেস্টরা যাবে কোথায়?' এমন আশঙ্কা নেহাত অমূলক নয়। অতঃপর মানুষ-ভূতের লড়াই গড়ায় কোর্টরুম পর্যন্ত। সেখানে এসএসসি ইস্যুও উত্থাপন হয়। ভূতেদের ভাষায় যার অর্থ- 'শেয়ানে শেয়ানে চিৎকার।' ট্রেলারেই ইঙ্গিত মিলল যে, এই সিনেমার পরতে পরতে দক্ষতার সঙ্গে সামাজিক বার্তা জুড়ে দেওয়া হয়েছে 'পাঞ্চ' হিসেবে। যে কৃতীত্বের দাবিদার নিঃসন্দেহে গল্পকার জিনিয়া সেন। এহেন মুচমুচে 'স্যাটায়ার' সিনেমা দেখার জন্য আগামী ২৩ জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে ভিড় করতে হবে। কারণ সেদিনই মুক্তি পাচ্ছে 'ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল'। সেদিনই নাহয় জানুন, ভূতেরা একজোট কী সিদ্ধান্ত নিল?
প্রথমটায় বড়দিনে রিলিজ করার কথা ছিল এই সিনেমার। তবে বিগবাজেট, বহু প্রতীক্ষিত একাধিক বাংলা সিনেমার ধাক্কায় মুক্তি পিছোতে হয়েছে নির্মাতাদের। তবে দর্শক-অনুরাগীদের তেমন আক্ষেপের সুযোগ রাখেনি উইন্ডোজ। আর কয়েক দিনের অপেক্ষা মাত্র। তারপরই শীতের শহরে আছড়ে পড়বে একঝাঁক ভূত। তবে শুধু ভয় দেখাতে নয়, সঙ্গে উপরি পাওনা থাকছে দমফাটা হাস্যরস।
