shono
Advertisement

Breaking News

Abhishek Roy

'অদ্ভুত ঐশ্বরিক অনুভূতি', লেক কালীবাড়ির মা করুণাময়ীকে সাজিয়ে আধ্যাত্ম চেতনায় বিভোর অভিষেক

সোমবার দুপুরে আচমকাই এক ঘটনা ঘটে! একেই বোধহয় বলে ব্রহ্মাণ্ড সংযোগ। বিষয়টা খানিক খুলেই বলা যাক।
Published By: Sandipta BhanjaPosted: 12:57 PM Mar 10, 2026Updated: 01:13 PM Mar 10, 2026

দক্ষিণ কলকাতার ঢাকুরিয়া লেক। এই লেকের ঠিক উলটোদিকেই ফি শনি-মঙ্গলবার পুণ্যার্থীদের ভিড় জমে। কারণ সাধকের বিশ্বাস, ভক্তি এবং অত্যাশ্চার্য ঐতিহাসিক কাহিনির এক মিলনস্থল সাদার্ন অ্যাভিনিউ অঞ্চলের এই লেক কালীবাড়ি। দেশভাগের দু'বছর পর এক ছোট্ট কুটির থেকে যে সাধনক্ষেত্রের সৃষ্টি, আজ সেখানেই মা 'করুণাময়ী'র টানে ভিড় জমান শত শত পুণ্যার্থী। সোমবার দুপুরে আচমকাই এক ঘটনা ঘটে! একেই বোধহয় বলে ব্রহ্মাণ্ড সংযোগ। বিষয়টা খানিক খুলেই বলা যাক।

Advertisement

মা আমার হাতে রানি রঙের জাল বেনারসি পরলেন। আটপৌড়ে স্টাইলে একদিকে আঁচলের মতো রেখে সাজিয়ে দিলাম। শাড়ির সঙ্গে হলুদ-গোলাপি ফুলের মালা-মুকুট। অলংকারে আভূষিতা... সে কী অপরূপা 'করুণাময়ী'। সাজানোর এই গোটা সময়টায় অদ্ভুত ঐশ্বরিক একটা অনুভূতি হল।

৯ তারিখ মধ্যহ্নভোজ করতে বসেছি, এমন সময়ে আচমকাই এক ফোন এল। অপরপ্রান্তে এক নারীকণ্ঠ। বললেন, "আমি লেক কালীবাড়ি থেকে বলছি। আমাদের মা'কে সাজাতে হবে। আপনার কি আজ একটু সময় হবে? আমাদের খুব দরকার আজ।" হঠাৎ এমন ফোন পেয়ে আমি তো অবাক! উনি আমার নম্বর জোগাড় করে আমায় যোগাযোগ করেছেন জানতে পারলাম। ফোন পেয়েই কাজের শিডিউল বদলে ফেললাম। আমার একটা কাজ ছিল। সেটা পিছোলাম। তিনটের সময় আমি আমার দুই বন্ধু আধ্যাত্মিক গুরু অভিজিৎ চন্দ আর সায়ককে নিয়ে পৌঁছে গেলাম লেক কালীবাড়ি।

লেক কালীবাড়ির মা করুণাময়ীকে সাজিয়ে আধ্যাত্ম চেতনায় বিভোর অভিষেক। ছবি- সংগৃহীত

তার পর মাকে শাড়ি, গয়না পরানো থেকে চুল ঠিক করা, সবটা করলাম। ফুলের সাজে সাজালাম। মাকে পুরো তৈরি করতে আধ ঘণ্টা সময় লাগল। মা আমার হাতে রানি রঙের জাল বেনারসি পরলেন। আটপৌড়ে স্টাইলে একদিকে আঁচলের মতো রেখে সাজিয়ে দিলাম। শাড়ির সঙ্গে হলুদ-গোলাপি ফুলের মালা-মুকুট। অলংকারে আভূষিতা... সে কী অপরূপা 'করুণাময়ী'। সাজানোর এই গোটা সময়টায় অদ্ভুত ঐশ্বরিক একটা অনুভূতি হল। এই যেমন আচমকা ফোন পাওয়া। যিনি ফোন করলেন, সেই মহিলাকে না আমি চিনি। না উনি আমাকে চেনেন। ব্যক্তিগত পরিচয়ও নেই আমাদের। অদ্ভুতভাবে আমার শিডিউলও তেমন ব্যস্ত ছিল না। যে কাজটা ছিল সেটাও ততটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। কিন্তু মাকে সাজানোর সুযোগ পেলে এরকম কাজও পিছিয়ে দেওয়া যায় অনায়াসে। কারণ এই সৌভাগ্য তো আর নিত্যদিন আসে না। মাকে সাজানোর পরই অন্তর থেকে কেমন একটা 'ফিল গুড ফ্যাক্টর' অনুভূত হল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement