অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর প্রতিবাদে টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়ায় যখন কর্মবিরতি চলছিল, তখন সিনেদুনিয়ার ‘দিন আনি দিন খাই’ কলাকুশলীদের কথা ভেবে এগিয়ে এসেছিলেন জীতু কমল। নিজের ধারাবাহিকের টেকনিশিয়ানদের পাশে 'মুশকিল আশান' হয়ে দাঁড়ান তিনি। এবার মানবসেবায় আরও বড় উদ্যোগ নিলেন অভিনেতা। বিবেকানন্দের মন্ত্রে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা খুলে ফেললেন অভিনেতা।
যদিও সেদিন জাঁকজমক অনুষ্ঠানের ভাবনা নেই তাঁর। বরং সাদামাটাভাবেই ছোট্ট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুভসূচনা করতে চান তিনি। খবর, ইতিমধ্যেই সইসাবুত-সহ বাকি সব কাজকর্ম অনেকটা সেরে ফেলেছঠেন জীতু।
মঙ্গলবার রাতে সোশাল মিডিয়ায় কতিপয় শব্দে এই খবর ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেতা। সংশ্লিষ্ট স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার নাম 'জীতু কমল অ্যান্ড দ্য ইউনিভার্স সোশ্যাল ট্রাস্ট'। সিনেপাড়ার কলাকুশলীদের পাশাপাশি দুস্থদের উদ্দেশে হাত বাড়িয়ে দেবে এই সংস্থা। আগামী ১১ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু করবে অভিনেতার স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। যদিও সেদিন জাঁকজমক অনুষ্ঠানের ভাবনা নেই তাঁর। বরং সাদামাটাভাবেই ছোট্ট অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুভসূচনা করতে চান তিনি। খবর, ইতিমধ্যেই সইসাবুত-সহ বাকি সব কাজকর্ম অনেকটা সেরে ফেলেছঠেন জীতু। এবার শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলার অপেক্ষা। কিন্তু এহেন মানবিক উদ্যোগের ভাবনাটা কীভাবে এল?
জীতু কমল, ছবি: ইনস্টাগ্রাম
সংবাদমাধ্যমের কাছে জীতু জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতিই তাঁকে মানুষের কথা ভাবতে শিখিয়েছিল। অভিনেতার কথায়, অনুরাগীদের থেকে গত কয়েক বছরে যেমন ভালোবাসা পেয়েছেন, তেমনই অনেকে উপহার, এমনকী প্রচুর টাকাও পাঠান তাঁকে। সেখান থেকেই জীতুর মনে হয়, এই টাকাগুলি যদি ভালো কাজে ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে মন্দ হয় না। অন্তত কিছু মানুষের মুখে হাসি ফুটবে। এদিন স্বামী বিবেকানন্দের বাণী- 'দরিদ্র সেবাই শিবের শ্রেষ্ঠ পুজা' ভাগ করে নিয়েই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা খোলার খবর দেন অভিনেতা।
