কয়েকদিনের ব্যবধানে ফের সমালোচকদের নিশানায় বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা আর.মাধবন (R Madhavan )। পদ্ম পুরস্কার গ্রহণের অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের সঙ্গে দেখা করে তুমুল কটাক্ষের শিকার হন। নিট কেলেঙ্কারির পরও হাসিমুখে করমর্দন করেন আর.মাধবন। সেই ছবি ধর্মেন্দ্র তাঁর এক্স হ্যান্ডলে শেয়ার করতেই ক্ষোভে ফুঁসেছে নেটভুবন। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই ফের 'আলটপকা' মন্তব্যের জেরে বিপাকে মাধবন।
এবার অভিনেতার কপালে জুটল 'চটিচাটা', 'মেরুদণ্ডহীন ব্যক্তি'র মতো কটাক্ষ। ‘তনু ওয়েডস মনু’ খ্যাত মাধবন প্রধানমন্ত্রী মোদির ভূয়সী প্রশংসা করতেই সমালোচনার শিকার। উল্লেখ্য, সমাজমাধ্যমে মাধবনের পুরনো এক এক সাক্ষাৎকারের ভিডিও ভাইরাল। যেখানে তিনি বলেছিলেন, "যে মানুষ মাত্র তিন ঘণ্টা ঘুমান, যাঁর মা এখনও একটি ছোট গ্রামে থাকেন, যাঁর পরিবারের কেউ সরকারি পদে নেই তিনি শুধু দেশের কথাই ভাবেন।"
মাধবনের 'মোদিপ্রীতি'
এখানেই শেষ নয়। মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ মাধবন বলেছিলেন, "তিনি সব সময় দেশের উন্নতির কথাই ভাবেন। মানুষ তাঁর নীতির সমালোচনা করতেই পারে সেটি তাঁদের অধিকার। এমনকি তিনি নিজেই বলেছেন যদি আমাদের নীতিগুলো আপনাদের ভালো না লাগে তাহলে এসে বলুন কীভাবে সেগুলো আরও ভালো করা যায়। তিনি এই কথাই সংসদে বলেছেন। আমি সব সময় আমার প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকব এবং তাঁকে সমর্থন করব।"
ধর্মেন্দ্র প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎয়ের পর কটাক্ষের শিকার মাধবন
ভিডিওটি ফের সোশাল মিডিয়ায় ফিরে আসতেই একাংশের অভিযোগ, তিনি বিজেপির প্রতি অতিরিক্ত আনুগত্য দেখিয়েছেন। তাঁর পদ্মশ্রী প্রাপ্তির সঙ্গে এই সমর্থনের যোগসূত্র খোঁজারও চেষ্টা করছেন অনেকেই। একজন নেটিজেনের মন্তব্য,'স্যার, তাহলে আপনি ভারত ছেড়ে চলে গেলেন কেন? আপনি এখানে খুশি ছিলেন না নাকি আপনার সন্তানের জন্য ভারতে ভালো ভবিষ্যৎ দেখেননি?'
নেটপাড়ার অপর এক সদস্যের দাবি, 'এটা যেমন হাস্যকর তেমনই বিরক্তিকরও। অভিনয় করে মানুষকে বিনোদন দিয়ে খ্যাতি ও সম্পদ অর্জন করেছেন। আর এখন পুরস্কার ও সম্মানের জন্য মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।' মাধবনের 'মোদিপ্রীতি' দেখে সোশালপাড়ার এক ব্যক্তির খোঁচা, 'সুনীল শেট্টির পর এবার মাধবনও একই পথে হাঁটছেন। এভাবে প্রশংসা করতে দেখাটা সত্যিই অবাক করার মতো।'
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সাই বাবার সঙ্গে তুলনা করেছেন অভিনেতা সুনীল শেট্টি। সেই সঙ্গে দাবি করেছেন, তাঁর এক বছর তিন মাসের নাতনি নাকি মোদির ছবিতে লাড্ডু নিবেদন করে। এরপরই হাসির খোরাকে পরিণত হন সুনীল।
