নিট কেলেঙ্কারি ইস্যুতে গত ২৪ জুলাই ধর্মতলায় ছাত্র মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন শ্রীলেখা মিত্র। সেখানেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি কুরুচিকর পোস্টার প্রকাশ্যে প্রদর্শন করেন অভিনেত্রী। ঘটনায় বেজায় চটেছে গেরুয়া শিবির। আন্দোলনের নামে নোংরামি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি বিকৃত করে প্রদর্শনের অভিযোগে আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বিজেপির মুখপাত্র কেয়া ঘোষ। মঙ্গলবার লোকভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে আমন্ত্রিত ছিলেন অভিনেত্রী-নৃত্যশিল্পী মমতা শংকর। সেখানেই সংবাদমাধ্যম শ্রীলেখা মিত্রর বিষয়ে প্রশ্ন করলে কী বললেন?
মমতা শংকরের স্পষ্ট জবাব, "আমার মনে হয় মানুষ হিসেবে প্রত্যেকটি মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা রাখা উচিত। একজন প্রধানমন্ত্রী, যিনি শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব তাঁর সম্মানহানি করার কোনও অধিকার আমাদের নেই। আসলে আমাদের কিছু বলতে দিলেই আমরা অনেক বক্তব্য রাখি। কিন্তু, ওই আসনটায় যদি আমাদের বসানো যেত তাহলে বোঝা যেত। একটা বাড়ি সামলাতেই আমরা হিমশিম খেয়ে যাই। বাড়ির মানুষরা, যেখানে নানা মুনির নানা মত সেখানে যিনি দেশ চালাচ্ছেন তাঁকে কতদিক সামলাতে হচ্ছে।"
শ্রীলেখার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীকে অপমানের অভিযোগ
আরও বলেন, "আমরা সবকিছু খুব সহজ করে ফেলি। এটা কেন হচ্ছে না? ওটা কেন হচ্ছে না? একদিকে বন্যা, অন্যদিকে যুদ্ধ, ছাত্রআন্দোলন...একটু ধৈর্য তো ধরতেই হবে। আমি একটাই কথা বলতে চাই, প্রত্যেকে যেন প্রত্যেকের উপর শ্রদ্ধাটুকু বজায় রাখি। মানুষ যেন মানুষের উপর অহিংস, অসিহষ্ণু আর শ্রদ্ধা হারিয়ে না ফেলে।"
শ্রীলেখা প্রসঙ্গে কী বলললেন মমতা শংকর?
প্রসঙ্গত, ২৬ জুলাই শ্রীলেখার বিরুদ্ধে কেয়া ঘোষ ছাড়াও বিধাননগর সাইবার থানাতেও অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপির নেতা-কর্মীরা। জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেপ্তারির দাবি জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় তোলপাড় রাজনৈতিক মহল। গ্রেপ্তারির ভয়ে বিন্দুমাত্র আতঙ্কিত নন বাঙালি অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। বরং পালটা সুর চড়িয়ে একহাত নিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে। একের পর এক আপ্তসহায়কের মৃত্যুর জন্য যাঁরা দায়ী তাঁদের শাস্তি দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন।
