৫ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে মুক্তি পেয়েছে বিবেক অগ্নিহোত্রী পরিচালিত 'দ্য বেঙ্গল ফাইলস'। কিন্তু, পশ্চিমবাংলায় ছবি মুক্তিতে প্রচুর বেগ পেতে হয়েছিল। এমনকী কলকাতায় 'দ্য বেঙ্গল ফাইলস'-এর ট্রেলার লঞ্চেও অনুষ্ঠানেও পরিস্থিতি একেবারে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। মাঝপথে অনুষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়ে যেতে হয়েছিল পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী ও তাঁর স্ত্রী-প্রযোজক পল্লবী যোশীকে। এই ঘটনায় পরিচালকের নিশানায় ছিল রাজ্য সরকার। 'দ্য বেঙ্গল ফাইলস'-এর বিরুদ্ধে 'প্রোপাগান্ডা ফিল্ম'-এর অভিযোগ তুলে বাংলায় ছবি মুক্তিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। ২০২৫-এর সেই ঘটনার সঙ্গে রণবীর সিংয়ের বক্স অফিস কাঁপানো 'ধুরন্ধর ২' -র তুলনা টানলেন অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)।
আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বর্ষীয়ান অভিনেতার বক্তব্য, "আপনারা 'বেঙ্গল ফাইলস' এখানে অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পেতে দেননি। এর চেয়ে বড় ইস্যু আর কী হতে পারে? অথচ এখন 'ধুরন্ধর ২'–কে প্রোপাগান্ডা বলা হচ্ছে। তাহলে এটাকেও কেন বন্ধ করা হল না? ছবি মুক্তি পাওয়ার পর এখন আপনারা এটাকে প্রোপাগান্ডা বলে দাগিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু বেঙ্গল ফাইলস-এর একটা দৃশ্যও দেখেননি। শুরু থেকেই বিরোধিতা করেছেন এবং বাংলায় মুক্তি পেতে দেননি। এর চেয়ে দুর্ভাগ্যজনক আর কী হতে পারে?"
অনুপম খের বলেন, "দর্শক বোকা নয় যে তারা বিনা কারণেই রাত ১২টার শো হাউসফুল করে। হলে বসে সিনেমা দেখেন সেটা উপভোগ করার জন্য।"
সম্প্রতি অনুপম খের দিল্লির আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব বা আইএফএফডি-তে 'প্রোপাগান্ডা ফিল্ম' নিয়ে বক্তব্য রাখেন। অভিনেতার সংযোজন, "যাঁরা এই ধরনের মন্তব্য করেন আমাদের উচিত তাঁদের উপেক্ষা করা। আমরা অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়ে ফেলছি। অপ্রাসঙ্গিক কথা বলছে। বরং দ্য কাশ্মীর ফাইলস এবং ধুরন্ধর–এর সাফল্য উদযাপন করা উচিত। দর্শক বোকা নয় যে তারা বিনা কারণেই রাত ১২টার শো হাউসফুল করে। হলে বসে সিনেমা দেখেন সেটা উপভোগ করার জন্য। যাঁরা এটাকে প্রোপাগান্ডা বলছে তাদের আমরা শান্তিতে থাকার বার্তাটুকুই দিতে পারি।"
