একটা সাক্ষাৎকার নিতে যাওয়ার আগে এতটা অস্বস্তি বহুদিন পর। প্রশ্নগুলো গোছাতে পারছি না। কিছুতেই না। পেশাগত কর্তব্য আর মন পরস্পরের সঙ্গে দ্বন্দ্বে অবতীর্ণ। দেখা হতে ঠিক আগের মতো স্মিত হাসলেন। তার ভিতরকার অভিঘাত এতটুকু টেরপেতে দিলেন না।
খুব দ্রুত কাজে ফিরলে...
(একটু ভেবে) দেখো, এক-একজন মানুষ এক-এক রকম ভাবে সিচুয়েশন কোপ-আপ করে। আমি চেষ্টা করেছি প্রত্যেকটা ইমোশনকে তার নিজস্ব সময় দেওয়ার। জানি, যে কোন সময়টা আমি পুরোপুরি ‘রেজ’ থেকে অ্যাক্ট করেছি, কোন সময়টা আইসোলেট করেছি, কোন সময়টা কথা বলে প্রসেস করেছি, এখনও করছি। সেখানে কাজে ফেরা আমার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই যে ক্যামেরার সামনে রয়েছি, আবার পারফর্ম করতে পারছি, আবারও বুঝতে পারলাম যখন ক্যামেরা চলছে আই অ্যাম মোস্ট মাইসেলফ। সেই সময় আমি সব থেকে অথেনটিক। নয়তো মাথায় অনেক কিছু চলছে। ক্যামেরার সামনে থাকলে ওসব ভাবার অবকাশ নেই। আই ক্যান সুইচ অফ অ্যান্ড বি মাইসেলফ। এটাই আমার সবথেকে প্যাশনের জায়গা। অথেনটিক ফিল করাটা আমার জন্য খুব জরুরি ছিল। আর আমি অ্যাপ্রিসিয়েট করব তাদের, যারা নিজেরা খানিকটা ট্রাবল নিয়ে সাপোর্টিভ থেকেছে, আমাকে কো-অপারেট করেছে। আমি কৃতজ্ঞ তাদের কাছে। ১৫ মে, ‘কুহেলি’ রিলিজ হচ্ছে। আরও অনেক আগে প্রচার শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা আমার জন্য এই সময়টা দিয়েছে। আমিও চাই কাজটা যেন ভালোভাবে দর্শকের কাছে পৌছয়। কাজে ফেরা মানে আমার কাছে কাছের মানুষদের সঙ্গে থাকা। যেটা আমার জন্য খুব দরকার। ‘তারকাটা’-র শুটিংয়ের ক্ষেত্রেও বলব পুরো টিম আমাকে সাপোর্ট করেছে। আর দেরি করা সম্ভব ছিল না। ওরা আমাকে জোর করেনি, কিন্তু আমি কাজে ফিরতে চেয়েছি। এটাকে যদি নরমালসি বলি আমার জন্য সেখানে ফেরা দরকার ছিল সেই সময়।
আমার জন্য প্রকাশ করাটা বড় চ্যালেঞ্জ। আমার যারা কাছের মানুষ সংকটে আমার সাপোর্ট সিস্টেম তৈরি করেছে, বাড়িয়েছে, আবার তারাই ফিল্টারগুলো অ্যাড করেছে। যাদের থাকার ছিল না তারা নেই। যাদের থাকার তারা আছে। আমি যদি প্রকাশ নাও করতে পারি আমি কী ভাবছি তারা জানে। আমাকে বলতে হয় না।
এই তো ফেব্রুয়ারিতে শুটিং করলে, এর মধ্যেই ‘কুহেলি’ আসছে। পরিচালক অদিতি রায়ের সঙ্গে একাধিক কাজ করেছ। ফলে কমফর্টজোন ছিল নিশ্চয়ই?
এখন এরকমই হয়। অদিতিদি এমন একজন পরিচালক, যার কাছে সারেন্ডার করে দেওয়া যায়। টেকনিক্যাল দিক তো বটেই, অভিনয়টাও খুব ভালো বোঝেন। যেটা চান সেই বিষয় ভীষণ সর্টেড, ঠিকঠাক ভাবে গাইড করে দেন। অদিতিদি এবং তাঁর টিম আমাদের কমফর্ট বিষয়ে ভীষণ পার্টিকুলার। এই পরিবেশটা খুব ভালো লাগে। মানুষ হিসেবেও অদিতিদিকে ভালোবাসি। আমাকেও ভালোবাসেন এবং স্নেহ করেন। পরিচালক যখন আমার ওপর বিশ্বাস রাখেন, আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।
প্রিয়াঙ্কা সরকার। ছবি- সংগৃহীত
এরকম পুলিশের চরিত্র কি করেছ?
পুলিশের চরিত্র করেছি, তবে ‘কুহেলি’র মতো নয়। ইনভেস্টিগেটিভ অফিসার মানেই টানটান থ্রিল। ‘কুহেলি’র ক্ষেত্রে বলব কমিক থ্রিলার, পুলিশের রাফ অ্যান্ড টাফ ব্যাপার, অ্যাকশন থাকলেও একটা কমেডির স্তর আছে। কোনও চরিত্রই শুধু সাদা-কালো বা ভালো-খারাপ বলে ডিফাইন করা যাবে না। খুব রিয়েল স্ক্রিপ্ট, সেই সঙ্গে এন্টারটেনিং। গা ছমছমে ব্যাপার আছে। সিকিমে শুটিং। কুহেলি একটা হিল স্টেশন। কুহেলিতে যারা থাকে, যারা আসছে সেটা খুব তাৎপর্যপূর্ণ। আমার চরিত্রটাই বাইরে থেকে আসছে কুহেলিতে, এবং জড়িয়ে পড়ছে নানা কিছুর মধ্যে। একটা মৃত্যুর তদন্তে আমার চরিত্রটি এগোচ্ছে। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে ঋদ্ধিমা, সুস্মিতা, আরও সকলে রয়েছে।
তুমি ওয়েব সিরিজে চমৎকার জায়গা করে নিয়েছ। ‘ছোটলোক’, ‘লজ্জা’-র দুটো সিজন। তার আগে ‘হ্যালো’।
(হাসি) থ্যাঙ্ক ইউ। আই হ্যাভ বিন ব্লেসড। যবে থেকে বাংলায় ওটিটি-র কাজ শুরু হয়েছে, তখন থেকেই আমি করছি। আমাকে যে ভাবা হচ্ছে নানারকম চরিত্রে, আমি তার জন্য কৃতজ্ঞ। ‘কুহেলি’ যেমন হইচই-তে, অন্য প্ল্যাটফর্মে ‘ছোটলোক’ করেছিলাম, সেখানেই আসবে আমার অন্য একটা কাজ ‘তারকাটা’। হইচই-এ তে ‘হ্যালো’ যখন করেছিলাম, তার মধ্যে দিয়ে নিজেকে প্রথম অন্য ভাবে এক্সপ্লোর করে ছিলাম। আর দর্শক গ্রহণ করেছিল। যেগুলো করেছি প্রত্যেকটাই খুব প্রিয়। সিরিজ ছাড়াও পাইপ লাইনে যে ছবিগুলো রয়েছে সেগুলোও ইন্টারেস্টিং।
কোন ছবিগুলো?
'মায়া সত্য ভ্রম’ (পরিচালনা শমীক রায়চৌধুরি), একদম অন্যরকম কাজ। ফেস্টিভ্যালে ঘুরছে ছবিটা। আরেকটা ছবি আছে ‘বৃত্ত রহস্য’। আর কয়েকটার রিলিজ ডেট এখনও ঠিক হয়নি।
আমাদের বন্ধুত্ব বহু বছরের। একুশ-বাইশ বছরের বেশি। প্রথমে, ‘অরুণোদয়’দায়ের সঙ্গে আলাপ। সেই বন্ধুত্ব, এত বছর টেলিভিশনে কাজ করা, প্রিয় বন্ধু থাকা দীর্ঘদিন। তারপর ‘চির দিনই...’। তারপর আমাদের সম্পর্কে নানা পর্যায় দিয়ে গিয়েছে। কিন্তু অল থ্রু বন্ধুত্বটা ছিল, দূরত্ব এলেও। সেটা মানুষ জানে না।
এই সময়ই ‘নধরের ভেলা’ কলকাতা ছাড়িয়ে গ্রামেগঞ্জে পৌছে গিয়েছে। বহু মানুষ দেখছে।
ভীষণ ভালো লাগছে। প্রদীপ্তদা, ঋত্বিকদা, পুরো টিমটা বন্ধু। এদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারছি যখন ভালো লাগছে। দে আর ভেরি ক্লোজড টু রাহুল। কত ঘটনা শেয়ার করছে, ভালো লাগছে। ‘নধরের ভেলা’-র সাফল্যে ভীষণ খুশি। চাইব এটা যদি আর একটু সিস্টেমের মধ্যে চলে আসে। সিঙ্গল ক্রিন কমছে বলে সমস্যা, সেখানে আমরা ছবিটাকে দর্শকের কাছে নিয়ে গিয়েছি। কল শো-এর মতো ডাক আসছে। থিয়েটারগুলোতে যে এ ভাবে ছবি দেখানো যেতে পারে এই বিষয়টা প্রোমোট করা খুব দরকার। আর সরাসরি দর্শক যখন কাজটা নিয়ে ভালো কথা বলছে, সেটা খুব জোর দেয়। যা আমাকে এই মুহূর্তে স্টেবল রেখেছে।
ব্যক্তিগত শোককে কখনও এমনভাবে প্রকট করোনি যা লোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আলাদাভাবে।
জানি না গো। আসলে আমি খুব অগোছালো ভাবনাচিন্তার মানুষ। আনলেস আই অ্যাম পেড আমি ঠিকঠাক ইমোট করতে পারি না। একটা ঠিকঠাক স্ক্রিপ্ট দিয়ে দাও আমি ইমোট করে ফেলতে পারব (হাসি)। নয়তো আমি, না গুছিয়ে ভাবনাচিন্তা করতে পারি, না প্রকাশ করতে পারি। এটা এক এক পর্যায় আমার কাছে চ্যালেঞ্জ হিসাবে এসেছে। আমার ব্যক্তিগত সম্পর্কের জায়গায়, আমার বন্ধুত্বের জায়গায়। আমি ঠিক প্রকাশ করতে পারি না। ভাবছি হয়তো হাজার জিনিস, তার মধ্যে হয়তো একটা বাক্য বলতে পারব। অনেক সময় যেটা ভেবেছি তার ঠিক উল্টো জিনিসটা ইমোট করেছি। বা দেখে হয়তো এক রকম মনে হয়েছে, আসলে আমি ভেবেছি আলাদা কিছু। আমার জন্য প্রকাশ করাটা বড় চ্যালেঞ্জ। আমার যারা কাছের মানুষ সংকটে আমার সাপোর্ট সিস্টেম তৈরি করেছে, বাড়িয়েছে, আবার তারাই ফিল্টারগুলো অ্যাড করেছে। যাদের থাকার ছিল না তারা নেই। যাদের থাকার তারা আছে। আমি যদি প্রকাশ নাও করতে পারি আমি কী ভাবছি তারা জানে। আমাকে বলতে হয় না। আমি কৃতজ্ঞ যে সেই মানুষগুলো আমার পাশে আছে। আমাকে কখন ছেড়ে দিতে হবে, আর আমার কখন প্রয়োজন কিন্তু বলতে পারছি না তারা জানে।
প্রিয়াঙ্কা সরকার। ছবি- ইনস্টাগ্রাম
তুমি বড্ড জেনুইন।
হয়তো সেই কারণেই জেনুইন মানুষরাই আমার পাশে রয়েছে। তাদের সংস্পর্শে থেকেই হয়তো আমি এরকম।
এক মাস হয়ে গেল রাহুলের চলে যাওয়া। তুমি নিজেকে অনেকটা সামলে নিয়েছ।
না, এখনও সামলে নিতে পারিনি। প্রসেসের মধ্যে আছে। এটা তোমাকে বলেই বলছি, নিজেকে গুছিয়ে উঠতে পারিনি। চেষ্টা করছি। কখনও এনগেজড থেকে, কখনও একা থেকে, কখনও ভেঙে পড়ে, কখনও রাগ করে, কথা বলে, মজা করে, চেষ্টাটা চলছে। এখনও দ্য সাডেননেস হিটস ভেরি ডিপলি। যেটা শুধু আমাকে নয়, প্রত্যেককে আঘাত করে চলেছে। যে সম্পর্কগুলো রাহুল জীবনে তৈরি করেছে এত জেনুইন, প্রত্যেকে অ্যাফেক্টেড।
আমার একটা কাজ দেখে সৎ মতামত আর কে দেবে! রাহুলের সঙ্গে শেষ যখন মেসেজে কথা হয়, বেড়ানোর প্ল্যান করছিল। ছুটিতে বান্ধবগড় যাওয়ার কথা বলেছিল। আমি মেসেজ করেছিলাম, এখনও তো সময় আছে, পরে রিসার্চ কোরো।
অভিনেতা বা লেখক রাহুলকে হারানোর পাশাপাশি প্রকৃত বন্ধুকে হারিয়েছে অনেক মানুষ।
আমাদের বন্ধুত্ব বহু বছরের। একুশ-বাইশ বছরের বেশি। প্রথমে, ‘অরুণোদয়’দায়ের সঙ্গে আলাপ। সেই বন্ধুত্ব, এত বছর টেলিভিশনে কাজ করা, প্রিয় বন্ধু থাকা দীর্ঘদিন। তারপর ‘চির দিনই...’। তারপর আমাদের সম্পর্কে নানা পর্যায় দিয়ে গিয়েছে। কিন্তু অল থ্রু বন্ধুত্বটা ছিল, দূরত্ব এলেও। সেটা মানুষ জানে না। আই হ্যাভ লস্ট মাই বেস্ট ফ্রেন্ড। এখনও ওর চারটে রেকমেনডেশন আছে। যেগুলো আমি এখনও দেখে উঠতে পারিনি সিরিজ, সিনেমা মিলিয়ে। বলেছিল এটা এটা দেখতে হবে। আমার তো বেড়ে ওঠাটাই এই মানুষটার সান্নিধ্যে। সিনেমা দেখা, বই পড়া, গান শোনা, জীবনযাপন সবটাই তো হিউজলি ইনফ্লুয়েন্সড। যেটা আমি কোনওদিনই অস্বীকার করতে পারব না। ওইগুলো আমি দেখব। একটু সময় লাগবে।
বুঝতে পারি...
ওর সম্পর্কে পাস্ট টেন্সে কথা বলাটাই অদ্ভুত। হি ওয়াজ সামবডি যার মতামত আমার কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। আমি প্রশংসা বা নিন্দায় খুব যে প্রভাবিত হয়ে যাই তা নয়। রাহুল সেই অল্পসংখক মানুষের মধ্যে ছিল, যার মতামত আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। দ্যাট ইজ দ্য বিগেস্ট লস। আমার একটা কাজ দেখে সৎ মতামত আর কে দেবে! রাহুলের সঙ্গে শেষ যখন মেসেজে কথা হয়, বেড়ানোর প্ল্যান করছিল। ছুটিতে বান্ধবগড় যাওয়ার কথা বলেছিল। আমি মেসেজ করেছিলাম, এখনও তো সময় আছে, পরে রিসার্চ কোরো।
'কুহেলি' সিরিজে প্রিয়াঙ্কা সরকার। ছবি- ইনস্টাগ্রাম
সহজ নিজের মতো করে কোপ আপ করছে। আমি ওকে কিছু বলব না, শুধু কমিউনিকেশনের গ্রাউন্ডটা ওপেন রেখেছি।
তুমি অনেক কিছু সইয়ে নিলে। সহজকে যে ভাবে সামলেছ, হ্যাটস অফ টু ইউ।
থ্যাঙ্ক ইউ, তোমরা এগুলো বললে একটু জোর পাই (স্মিত হাসি)। আমি কিছুই করছি না। আমি একা পারতাম না। সহজও আমাকে সামলাচ্ছে। এবং সকলে আশপাশে এই মুহূর্তে যাঁরা রয়েছেন, সব কিছু থেকে জোর পাচ্ছি। শুধু ফিজিক্যালি যাঁরা পাশে রয়েছেন তাঁরা নয়, সমাজমাধ্যম থেকেও পজিটিভ ভাইভস পেয়েছি। সব কিছুর মধ্যে থেকে ইতিবাচক দিকটা খোঁজার জন্যই নিজেকে ট্রেন করেছি বহু বছর ধরে। ট্রোলিং, ব্যাশিং তো হতেই থাকে। এই সিচুয়েশনের জন্য নয়, যাদের নেগেটিভ বলার, তারা বলতেই থাকে। সেটাকে গুরুত্ব দেওয়ার মানে নেই। এবার দেখলাম একটা খারাপ কমেন্ট হলে তার প্রেক্ষিতে কুড়ি-পঁচিশটা কমেন্টস চলে আসছে ফাইট ব্যাক করার জন্য। যাঁরা স্ক্রিনের ওপার থেকে এই জোরটা দিয়ে যাচ্ছেন তাঁদের বক্তব্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ আমার কাছে। আমি তাঁদের থেকে অনুপ্রেরণা পাচ্ছি। কাছের মানুষ, বন্ধু এবং এই ভালোবাসার মানুষদের থেকে আমি জোর পাচ্ছি।
রাহুল-প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে সহজ।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইন্ডাস্ট্রিও একত্রিত হল। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, যিশু সেনগুপ্ত আরও সকলে যেভাবে তোমার পাশে ছিলেন...
আমি বলব এইগুলো রাহুলের অর্জন করা। এই ভালোবাসা, স্নেহ ওই পেয়েছে। ও ডিজার্ভ করে। এই সম্পর্কগুলো থেকে যায়। কাজ হয়তো আসবে যাবে, ভালো খারাপ হবে, কিন্তু এই সম্পর্কগুলো থেকে যাবে। এমনকী, তোমরা, মিডিয়া বুঝতে পেরেছে, যখন আমি ক্যামেরার সামনে আসতে চাইনি, সেই স্পেসটা আমাকে দিয়েছে।
এমন আকস্মিক অভিঘাত, এই বয়সে। সহজ কি একটু ধাতস্থ হতে পেরেছে?
আমি জানি না। ও নিজের মতো করে কোপ আপ করছে। আমি ওকে কিছু বলব না, শুধু কমিউনিকেশনের গ্রাউন্ডটা ওপেন রেখেছি। আমরা অনেকে রয়েছি একসঙ্গে পরস্পরের সাপোর্ট সিস্টেম হিসাবে। ও কী ভাবছে, কীভাবে ডিল করছে, একটা বয়সের পর হয়তো ওই বেটার বলতে পারবে।
