shono
Advertisement

Breaking News

Safed Sagar Amrita Bagchi

উত্তম-সুচিত্রার সিনেমা দেখার নেশা, বাংলায় সুযোগের অপেক্ষায় সৃজিত-কৌশিক ভক্ত অমৃতা

'অপারেশন সফেদ সাগর'-এ অজয় আহুজার স্ত্রী 'অলকা আহুজা'র চরিত্রে সিদ্ধার্থের বিপরীতে নজর কেড়েছেন বাঙালি কন্যা অমৃতা বাগচী।
Published By: Kasturi KunduPosted: 09:22 AM Aug 24, 2026Updated: 09:23 AM Aug 24, 2026

‘অপারেশন সফেদ সাগর’ নেটফ্লিক্স প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়ার পরেই দর্শক-সমালোচকের প্রশংসা অর্জন করে। স্বাধীনতার আবহে মুুক্তি পেলেও কারগিল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটের এই সিরিজ দর্শকের ভালোবাসা পাচ্ছে এখনও। এখানেই স্কোয়াড্রন লিডার অজয় আহুজার চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিদ্ধার্থ। তাঁর স্ত্রী অলকা আহুজার চরিত্রে রয়েছেন বাঙালিনী অমৃতা বাগচী। যিনি গ্রাফিক ডিজাইনার, ইলাস্ট্রেটর হিসেবে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন।

Advertisement

এনআইডি-তে পড়াশোনা। পরবর্তীকালে অভিনয়ে আসেন। অনুরাগ বসুর ‘টেগর স্টোরিজ’-এ ‘স্ত্রীর পত্র’-তে মৃণালের চরিত্রে তাঁকে পেয়েছে দর্শক। এছাড়া ‘দ্য মিউজিক টিচার’, ‘হাসমুখ’, ‘সিটি অফ ড্রিমস’ ও গুজরাতি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ছবিতেও কাজ করেছেন। লেখক হিসেবেও তিনি বেশ কিছু ফিল্মের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। নিজে শর্ট ফিল্মও করেছেন। এই অমৃতার কলকাতা-কানেকশন জোরালো। শুরুর দিকের পড়াশোনা শান্তিনিকেতনে। তবে ২০০৪ সাল থেকে তিনি কলকাতার বাইরে।

অমৃতা বাগচী

ফোনে বলছিলেন, ‘বম্বেতে প্রায় ১৪ বছর। আমার বাবা কলকাতায় থাকেন। বছরে দু’ একবার যাই।’ সিদ্ধার্থর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন? জিজ্ঞেস করতে জানালেন, ‘খুব ভালো। হেল্পফুল সহ-অভিনেতা। ওঁর সঙ্গে আমার যোগাযোগ অন্যভাবে হয়েছে। আমার একটা শর্ট ফিল্ম দেখতে এসেছিল সিদ্ধার্থ এবং অদিতি, আরও অনেকে। তখন আলাপ হয়েছিল। ওটায় আমার মেন্টর ছিলেন বিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে।’

সিরিজের পরিচালক অনি সেনের সঙ্গে যোগাযোগ কীভাবে? ‘অনি আমার কলেজের সুপার সিনিয়র। আমি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউ অফ আমেদাবাদ-এ পড়াশোনা করেছি। আমি যখন কলেজে পড়তাম অনি পড়াতে আসত। তখন থেকে আমি অনিকে চিনি। কিন্তু অনি আমাকে চিনত না। ২০১৯-এ একটা অডিশন দিয়েছিলাম। সেটা অলমোস্ট হতে হতে হয়নি প্যান্ডেমিকের জন্য। দীপক আগরওয়াল নামে একজন কাস্টিং ডিরেক্টর আছেন। ওঁর ওই অডিশনটা মনে ছিল। উনি অডিশনটা অনিকে দেখিয়েছিলেন ২০২৪ সালে। আর বলেছিলেন, আমি একে ‘অলকা’র জন্য টেস্ট করতে চাই। তো আমায় ডিরেক্টলি অফিসে ডেকে অনি আর অভিজিতের (সিরিজের লেখক) সঙ্গে কথা বলায়। তারপরে আমি অডিশন ম্যাচ বক্সের অফিসেই করেছিলাম।’ বললেন অমৃতা।

এখন সাড়া কেমন, জিজ্ঞেস করাতে অভিনেত্রীর উত্তর, ‘অলকা চরিত্রের জন্য আমি প্রচণ্ড ভালোবাসা আর সহানুভূতি পাচ্ছি। আমার কখনও কখনও মনে হচ্ছে অলকার পাওনাটাও আমার দিকে চলে আসছে। এটা ওঁর গল্প। ওঁর সঙ্গে আমি দেখা করেছি। কথা বলে মনে হয়, ওঁর যে সহনশীলতা আর শক্তি একটা পারফরম্যান্সে ধরা যায় না। পঁচিশ বছর ধরে এই যন্ত্রণা নিয়ে থাকা। ওঁর ছেলে ইউএসএ-তে থাকেন। উনি আমাকে মেসেজ করেছিলেন। আমার মনে হচ্ছে এই পুরো ভালোবাসাটা ওঁর পাওনা। আই অ্যাম ভেরি লাকি যে এটার একটা টুকরো আমার দিকে এসেছে।’

বাংলায় ভালো কাজের সুযোগ পেলে করতে চান অমৃতা। ছোটবেলা থেকে ভানু গঙ্গোপাধ্যায়, জহর রায়, উত্তম কুমার, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, সুচিত্রা সেনের সিনেমা দেখার অভ্যেস রয়েছে। এখনকার বাংলা ফিল্ম দেখেন। তবে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ছবি বেশি দেখা হয়। কথায় কথায় উল্লেখ করেন, ‘দোস্তজি’-র কথা। বললেন, ‘কলকাতায় খুব ভালো ভালো ফিল্মমেকার কাজ করছেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, ওঁদের ছবিগুলো আমার খুব ভালো লাগে। সৃজিতদা তো আছেনই।’

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement