ফাইনালের মঞ্চে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। দুই দেশ, দুই ভিন্ন সংস্কৃতি, আলাদা ফুটবল দর্শন। স্পেনের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ মেসির। সেই সঙ্গে ষষ্ঠ বিয়ের স্বপ্নভঙ্গ ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরি মণির। ১৬ জুলাই সমাজমাধ্যমে লিখেছিলেন, 'আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আমি আবার একটা বিয়া করব ফাইনাল।' কিন্তু, ফাইনাল ম্যাচেই সব যেন কীরকম ওলোটপালোট হয়ে গেল!
স্পেন বিশ্বকাপজয়ী হতেই পরি মণির মন ভারাক্রান্ত পোস্ট, 'বিয়েটা আর করতে হল না আর কী। ভালোবাসার আর্জেন্টিনা আবার দেখা হবে।' অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগতজীবনেও চর্চায় থাকেন অভিনেত্রী। একের পর এক সম্পর্ক, বিয়ে সবকিছু মিলিয়েই বারবার লাইমলাইটে চলে আসেন পরি মণি।
অন্যদিকে আবার সঙ্গীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তীর কাছে বিশ্বকাপের পরিভাষা সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁর মতে, ফিফা বিশ্বকাপের উন্মাদনা, আবেগ, ফাইনালের শেষে হাসি-কান্নাই সকল জাতি-ধর্মকে একসুতোয় বেঁধেছে। কারণ ব্যাখ্যা করে সামাজিকমাধ্যমে ইমনের পোস্ট, 'যেই দেশ হেরেছে বা জিতেছে, কেউই নিজের দেশের নয়। তাও এই কান্না বা এই উন্মাদনা। এখনও অবধি স্পোর্টস আর আর্ট-ই পেরেছে দেশ, কাল, ধর্মের বিভেদ মেটাতে।'
এবার আসা যাক দুই বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরির প্রতিক্রিয়ায়।সমাজমাধ্যমে তিনি খুবই সক্রিয়। বিশ্বকাপের মরশুমে সোশাল মিডিয়ায় চঞ্চলের পোস্ট বেশ ভাইরাল। ফাইনালের আগেই সোশাল মিডিয়া ছেয়ে গিয়েছিল মেসির সঙ্গে শিশু লামিনে ইয়ামালের ছবিতে। ইউনিসেফের একটা ফটোশুটে শিশু ইয়ামালকে স্নান করিয়েছিলেন মেসি। আর্জেন্টিনা হারতেই সেই ছবি ব্যবহার করে খোঁচা দিয়ে চঞ্চল চৌধুরি লিখেছেন, 'না লামুসোনা ওটায় হাত দেয় না!'
ছাব্বিশের বিশ্বকাপে নিজেদের সবচেয়ে খারাপ ম্যাচটা খেলেছে আর্জেন্টিনা। পারফরম্যান্স এতটাই নিষ্প্রভ ছিল যে, এই দল কীভাবে ফাইনালে পৌঁছেছিল, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। স্নায়ুর চাপ ধরে রেখে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয় স্পেনের। দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ হাতে তোলার স্বপ্নভঙ্গ মেসির। চোখের জলে বিদায় আর্জেন্টিনার। কার্যত একপেশে ভাবেই ফাইনাল জিতল স্প্যানিশ আর্মাডা। তোরেসের একমাত্র গোলেই ১-০ জয়ী ফুয়েন্তের ছেলেরা।
