অষ্টম বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিদেশে একান্তযাপনের পর শহরে ফিরেছেন টলিপাড়ার পাওয়ার কাপল রাজ চক্রবর্তী ও শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। কোথায় গিয়েছিলেন সেটা অবশ্য খোলসা করেননি রাজশ্রী। তবে সমাজমাধ্যমে মাখমাখ প্রেমের ছবি দেখে অনুমান থাইল্যান্ডে সময় কাটিয়েছেন তারকা দম্পতি। এবার প্রেমিকের হাত ধরে শহর ছাড়লেন রাজের 'আহ্লাদি' ভাগ্নি সৃষ্টি পাণ্ডে। তীব্র দাবদাহে মানুষের যখন হাঁসফাস অবস্থা তখন সোশাল মিডিয়ায় উষ্ণতার পারদ চড়ালেন সৃষ্টি!
ঠোঁট ঠাসা চুম্বনে মিরর সেলফিতে প্রেমিকের সঙ্গে আদরে মাখামাখি। সেই মুহূর্ত সমাজমাধ্যমে ভাগ করতেই চর্চায় রাজের ভাগ্নি। মামার প্রযোজনা সংস্থার সিনেমা থেকে সিরিয়ালে অভিনয় করে দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এছাড়াও রাজ চক্রবর্তীর সহকারী পরিচালক হিসেবেও কাজ করেন সৃষ্টি। তবে এই মুহূর্তে পেশাজীবনের থেকে বেশি ব্যক্তিগতজীবন নিয়ে চর্চায় অভিনেত্রী। উল্লেখ্য, মামা-মামির পর প্রেমিক অর্ণব বিশ্বাসের সঙ্গে থাইল্যান্ডের ফুকেতেই প্রেমের জোয়ারে ভাসছেন সৃষ্টি। ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবিও পোস্ট করতেই হইচই নেটভুবনে।
বৃষ্টিস্নাত প্রেমিক যুগলের অন্তরঙ্গ মুহূর্ত এখন সোশাল মিডিয়া সেনসেশন, তা বললে অত্যুক্তি হবে না। কখনও সমুদ্রের ধারে তো কখনও হোটেলের ঘরে লেন্সবন্দি প্রেমিকযুগল। সাগরের ঢেউ আর সুস্বাদু খাবারের মাঝে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে সৃষ্টি আর অর্ণবের বেডরুম রোম্যান্স। হলিডে মুডের রঙিন মুহূর্তের ছবি পোস্ট করতেই ইন্ডাস্ট্রির সতীর্থ অভীকা মালাকার মন্তব্য বাক্সে লিখেছেন, 'মিষ্টি' আর রোহন ভট্টাচার্য 'লাভবার্ডস' সম্বোধন করে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন প্রেমিকযুগলকে।
সিনেপাড়ার অলিগলিতে সৃষ্টি অর্ণবের প্রেমচর্চা বহুদিনের। সম্পর্কের বয়স চার বছর অতিক্রান্ত। প্রেম কোনওদিনই আড়ালে রাখেননি তাঁরা। ইনস্টাগ্রাম জুড়ে তাঁদের লাভিডাভি মুহূর্তের ছবি। কখনও বরফের দেশে ছুটি কাটিয়েছেন তো কখনও আবার পুজোর দিনে রংমিলান্তি শাড়ি, পাঞ্জাবিতে সেজেছেন যুগলে। মামা-মামি দুজনেরই খুবই আদরের সৃষ্টি।
মাঝেমাঝেই রাজ এবং শুভশ্রীর সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে ছবি শেয়ার করেন। ইউভানের সঙ্গেও দিদির দারুণ সখ্যতা। সৃষ্টির প্রেমিক অর্ণবও বিনোদনের জগতেরই মানুষ। তবে তিনি কাজ করেন ক্যামেরার পিছনে। যদিও ‘ফেলনা’ এবং ‘বৌমা একঘর’ ধারাবাহিকে অভিনেতা হিসেবে টেলিভিশনের পর্দায় দর্শক তাঁকে দেখেছে।
