শুটিং করতে গিয়ে গুরুতর চোট পেলেন রশ্মিকা। জানা গিয়েছে, নিতম্বের পেশির টেন্ডনে আঘাত পেয়েছেন অভিনেত্রী। একটি নাচের সিকোয়েন্স শুট করার সময় এই বিপত্তি ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে। রশ্মিকাকে চিকিৎসকরা আপাতত ৬ সপ্তাহ বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
একসঙ্গে দু'টি ছবির শুটিং করছিলেন রশ্মিকা। 'রানাবলি' ও 'মাইসা'। তিনি চোট পাওয়ায় দুই ছবির শুটিং শিডিউলই ঘেঁটে গেল বলে জানা যাচ্ছে। কিন্তু কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা? সূত্রের খবর, সেই সময় একটি নাচের দৃশ্যের শুটিং চলছিল। দুর্ঘটনাবশত পড়ে গিয়ে রশ্মিকার চোট লাগে। ইউনিটের সদস্যরা তাঁকে দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যান। তখনই জানা যায়, নিতম্বের টেন্ডন সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে তাঁর। এমনটা সাধারণত ক্রীড়াবিদদের ক্ষেত্রেই ঘটে। কঠোর শারীরিক প্রশিক্ষণ ও অত্যধিক শারীরিক পরিশ্রমের ধাক্কায় এমনটা হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, জোড়া ছবির সেটে অত্যন্ত শ্রমসাধ্য অ্যাকশন দৃশ্য ও নাচের দৃশ্যগুলি তোলা হচ্ছিল। সেই কারণেই এমন গুরুতর আঘাত লেগেছে রশ্মিকার।
জুলাইয়ের শুরুর দিকে ‘মাইসা’ ছবিতে জলের তলদেশে বেশ কিছু অ্যাকশন সিকোয়েন্স শুটিংয়ের খবরে শিরোনামে এসেছিলেন রশ্মিকা। এই প্রথম প্রথম কোনও ভারতীয় অভিনেত্রীকে ‘আন্ডারওয়াটার ফাইট সিকোয়েন্স’-এ অ্যাকশন অবতারে দেখা যাচ্ছে। কোনও ‘বডি ডাবল’ ছাড়া অভিনেত্রী নিজেই সমস্ত অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং করেছেন। আর জলের নিচে মারপিটের মারপ্যাঁচ যে অত সহজ নয়, তা বলাই বাহুল্য। তবে রশ্মিকা সেই চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। আর তারপরই চোট পেলেন তিনি।
পুরোপুরি বিশ্রামের পাশাপাশি, শুটিংয়ে ফেরার আগে শারীরিক শক্তি ও চলাফেরার স্বাভাবিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধারের জন্য রশ্মিকাকে নির্দিষ্ট কর্মসূচিরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে অভিনেত্রী বা তাঁর দলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি এখনও।
