দিন কয়েকআগে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে 'মুসাফির ক্যাফে'। এখন সকলের মুখে মুখে ঘুরছে সুধা-চন্দর আর প্রীতির নাম। পাহাড়ের কোলে এই মিষ্টি প্রেম-বিচ্ছেদ ও ফিরে আসার গল্পে কে ঠিক, কে ভুল তা নিয়ে চলছে চর্চা। সিরিজটি দেখার পরই অতীত হাতড়ে প্রাক্তন স্ত্রী অর্থাৎ ইনফ্লুয়েন্সর সুস্মিতাকে তোপ দাগলেন সব্যসাচী চক্রবর্তী। শেখালেন, ভালোবাসা আসলে কী, কেমন হওয়া উচিত।
প্রাক্তন স্ত্রী সুস্মিতা রায়ের সঙ্গে সব্যসাচী চক্রবর্তী।
সোশাল মিডিয়ায় অত্যন্ত পরিচিত অভিনেত্রী-ব্যবসায়ী-ইনফ্লুয়েন্সর সুস্মিতা রায়। সাংবাদিক হিসেবে সব্যসাচী চক্রবর্তীও যথেষ্ট পরিচিত মুখ। মাস কয়েক আগে দুজনের বিচ্ছেদ নিয়ে তোলপাড় হয়েছে সোশাল মিডিয়া। কারণ বিচ্ছেদের পর প্রকাশ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি করেছে দু'পক্ষই। সব্যসাচী সোশাল মিডিয়ায় তাঁর প্রাক্তনের আগের একাধিক বিয়ে নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। সুস্মিতাও স্বামী চারিত্রিক দোষ তুলে ধরেছিলেন সকলের সামনে। পরবর্তীতে আবারও বিয়ে করেন সুস্মিতা। এটি তাঁর চতুর্থ বিয়ে। বিয়ের ৬ পেরনোর আগেই মা হয়েছেন সুস্মিতা। তা নিয়েও কম বিতর্ক হয়নি। 'মুসাফির ক্যাফে' দেখার পর বিয়ে নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন সব্যসাচী। সিরিজের 'সুধা' কতটা ঠিক বা ভুল তা বোঝাতে গিয়েই তিনি লিখেছেন, 'সবসময় কারও একটা দোষ হতেই হবে, সেটা হয় না। পাঁচ ছটা বিয়ে করার চেয়ে, বিয়ে না করাটাই বেটার নয় কি?' এই মন্তব্য যে কাকে ইঙ্গিত করছে, তা দিনের আলোর মতো পরিস্কার।
প্রাক্তন স্ত্রী সুস্মিতা রায়ের সঙ্গে সব্যসাচী চক্রবর্তী।
এখানেই থামেননি সব্যসাচী। ব্যাক্তিগত জীবনের তুলনা টেনে বুঝিয়েছেন, সুধার মতো যারা একবার চলে যায় তাঁরা ফিরে এলেও তা কখনও আজীবনের জন্য হয় না। আসলে বিয়ের কয়েকবছরের মাথায় প্রাক্তন স্ত্রী ও সব্যসাচীর মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। ডিভোর্স হয়নি তবে তাঁরা আলাদা থাকছিলেন। শোনা যায়, সেই সময় এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন সুস্মিতা। পরবর্তীকালে সেই সম্পর্ক ভাঙে। ফের সব্যসাচীর কাছে ফিরে যান সুস্মিতা। নতুন করে শুরু হয় সংসার। কিন্তু সেই সংসার দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। চলতি বছর মার্চ ডিভোর্স হয় তাঁদের। সেই ঘটনার স্মৃতি হাতড়েই সব্যসাচী লিখলেন, 'চন্দরের মতো আমিও করেছি। যে একবার ছেড়ে যায়, সে ফিরে এলেও মনে রাখবে, আবারও ছেড়ে যাওয়ার জন্যই আসবে। ওটা একটা ইনফিনিটি ট্র্যাপ। সো ডোন্ট বি চন্দর চু..।' সেই পোস্টেই সব্যসাচী শিখিয়েছেন ভালোবাসার পাঠ। লিখেছেন, 'ভালোবাসো তাকেই, যে থাকে। থাকবে। থাকতে চায়। ভালোবেসে, ভালো থেকো। তা অন্যকে হোক, বা নিজেকে।' অর্থাৎ জীবনে ভালোবাসাটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে ভালোবাসতে হবে তাঁকে, যে ভালোবাসে।
