শিয়রে কখন, কোথায় যে বিপদ ঘাপটি মেরে থাকে, বোঝা দায়! এবার ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে ভয়ানক দুর্ঘটনার শিকার বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা তথা কোরিওগ্রাফার সলমন ইউসুফ খান। ১৩ ফুট উঁচু ছাদ থেকে পড়ে 'এবিসিডি' খ্যাত অভিনেতার শরীরের একাধিক হাড় ভেঙেছে বলে খবর। পরিস্থিতি এতটাই সঙ্গীন হয়ে পড়ে যে বড়সড় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। সলমন (Salman Yusuff Khan) আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কেমন রয়েছেন এখন? হাসপাতালে শয়্যাশায়ী অবস্থাতেই বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিলেন অভিনেতা।
"সিনেমার শুটিং বা স্টান্ট করতে গিয়ে নয়। বাড়ি ছাদেই একেবারে নিমেষে ঘটনাটা ঘটল!..."
কীভাবে ঘটল এই দুর্ঘটনা? সলমন জানান, "সিনেমার শুটিং বা স্টান্ট করতে গিয়ে নয়। বাড়ি ছাদেই একেবারে নিমেষে ঘটনাটা ঘটল! আরও মারাত্মক কিছু হতে পারত আমার।" কীরকম? দুর্ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে অভিনেতা তথা খ্যাতনামা কোরিওগ্রাফার জানান, "নিতান্তই অসতর্কতাবশত! আজকালকার বাচ্চারা মোবাইল আর আইপ্যাড নিয়ে মেতে থাকে। সেসব থেকে দূরে রাখতেই আমি আমার ১০ বছর বয়সি ছেলেকে কীভাবে ঘুড়ি ওড়াতে হয়, সেটা শেখানোর সিদ্ধান্ত নিই। আমরা বাড়ির ছাদেই ছিলাম। ওকে শেখানোর পর নিচে পাঠিয়ে দিই। এরপর নিজেই উৎসাহের বশে ঘুড়িটি আরও উঁচুতে ওড়ানোর চেষ্টা করছিলাম। তখনই পা পিছলে ১৩ ফুট নিচে পড়ে যাই এবং আমার হাত ভেঙে যায়।"
ঘুড়ি ওড়াতে গিয়ে ভয়ানক দুর্ঘটনার শিকার সলমন ইউসুফ খান।
অস্ত্রোপচারের পর কেমন আছেন? সলমন জানালেন, "আমার হাতের দুটো হাড় ভেঙেছে। যেহেতু গুরুতর চোট পেয়েছি, আমার অস্ত্রোপচারও হয়েছে। তাই আপাতত বেশ কিছুদিন লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের দুনিয়া থেকে বিরতি নিতে হবে। তবে নৃত্যশিল্পী হিসেবে চোট লাগার অভ্যোস রয়েছে। হাড় নিশ্চয়ই জোড়া লেগে যাবে। আমি সেরেও উঠছি। চিকিৎসক জানিয়েছেন আর দিন পনেরো পর হাতের প্লাস্টার খুলে ফেলা হবে। এরপর এক মাস ফিজিওথেরাপি চলবে। আশা করছি, মাসখানেকের মধ্যেই আমি আবার পুরোদমে কাজে ফিরতে পারব।"
