পাকিস্তান বিরোধী প্রেক্ষাপটের অভিযোগে গতবার সেদেশে মুক্তি পায়নি 'ধুরন্ধর'। তবে মনে ভারত বিদ্বেষ থাকলেও সেদেশের সিনেদর্শক গোপনে বলিউডি সিনেমা উপভোগ করার সুযোগ হাতছাড়া করেননি! সিক্যুয়েলের ক্ষেত্রেও অবশ্য এর অন্যথা হয়নি। পাকিস্তানকে 'ভিলেন' দেখানোয় এবারও সেখানে নিষিদ্ধ 'ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ' (Dhurandhar 2)। কিন্তু প্রেক্ষাগৃহে জায়গা না দিলেও পাকমুলুকের বাসিন্দারা 'পাইরেসি' সংস্কৃতির সুযোগ নিতে পিছপা হননি। শেহবাজ শরিফের দেশে রমরমিয়ে চলছে 'ধুরন্ধর ২'-এর পাইরেটেড ভার্সন। এবার রণবীর সিং অভিনীত সিনেমা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক আবু আজমি।
সিক্যুয়েল রিলিজের পরই ধ্রুব রাঠি 'ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ'কে আবারও 'প্রোপাগান্ডা সিনেমা'র তকমা দিয়ে বিতর্কের সলতে জ্বেলেছেন। প্রোপাগান্ডার ঝান্ডাধারী বলে পরিচালক আদিত্য ধরকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি! এমন আবহেই এবার সমাজবাদী পার্টির বিধায়কের মন্তব্য সেই বিতর্কযজ্ঞে ঘৃতাহূতি করল। আবু আজমি প্রশ্ন তুলেছেন, "'ধুরন্ধর ২' তো পাকিস্তানি সিনেমা। তাহলে কেন এই ছবিটা পাকিস্তানের জনগণকে দেখানো হচ্ছে না?..."
সিক্যুয়েল রিলিজের পরই ধ্রুব রাঠি 'ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ'কে আবারও 'প্রোপাগান্ডা সিনেমা'র তকমা দিয়ে বিতর্কের সলতে জ্বেলেছেন। প্রোপাগান্ডার ঝান্ডাধারী বলে পরিচালক আদিত্য ধরকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি! এমন আবহেই এবার সমাজবাদী পার্টির বিধায়কের মন্তব্য সেই বিতর্কযজ্ঞে ঘৃতাহূতি করল। আবু আজমি প্রশ্ন তুলেছেন, "'ধুরন্ধর ২' তো পাকিস্তানি সিনেমা। তাহলে কেন এই ছবিটা পাকিস্তানের জনগণকে দেখানো হচ্ছে না? বদলে কেন হিন্দুস্তানের জনগণকে দেখানো হচ্ছে?" শুধু তাই নয়। রণবীর সিং অভিনীত সিনেমার বিরুদ্ধে মুসলিমদের অপমান করা কিংবা সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগও তুলেছেন সপা বিধায়ক। আবু আজমির মন্তব্য, "ভারতের মাটিতে ঘটা বহু বড় বড় অপরাধকে উপেক্ষা করে শুধুমাত্র গুটিকয়েক অপরাধীর উপরই আলোকপাত করা হয়েছে এই ছবিতে। আসলে 'ধুরন্ধর ২' তৈরিই হয়েছে শুধুমাত্র ঘৃণা ছড়ানোর উদ্দেশ্যে।"
‘ধুরন্ধর ২’-এর একটি দৃশ্যে রণবীর সিং।
এদিকে সপা বিধায়কের মন্তব্য ভাইরাল হতেই বিতর্কের ঝড় নেটভুবনে। একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন, 'যে ছবি গেরুয়াপন্থী, সেটা পাকিস্তানি হয় কীভাবে?' কারও বা প্রশ্ন, 'সিনেমার ঠিক কোন অংশ দেখে আপনার মনে হয়েছে যে এটি পাকিস্তানী ছবি?' এহেন নানা মন্তব্যে ছেয়ে গিয়েছে সোশাল পাড়া। উল্লেখ্য, আবু আজমির আগে সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক রইস শেখও এই সিনেমার সমালোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, "ধুরন্ধর-এর মতো সিনেমাগুলো রাজনৈতিক বার্তা দিয়ে বারবার একটি নির্দিষ্ট সরকারের গুণগান গাইতে থাকে। এটাকে সৃজনশীলতা বলে না, বলে অ্যাজেন্ডা।"
