‘উইথ গ্রেট পাওয়ার কামস গ্রেট রেসপন্সিবিলিটি।’ কিন্তু সেই ক্ষমতা যদি খর্ব হতে থাকে? স্পাইডারম্যানের নতুন ছবির ট্রেলার সেই আশঙ্কাই তুলে ধরল। 'স্পাইডারম্যান ব্র্যান্ড নিউ ডে'-র আড়াই মিনিটের ট্রেলার মুক্তি পাওয়ার আগে থেকেই নানা কন্সপিরেসি থিয়োরি ঘুরে বেড়াচ্ছিল ইন্টারনেটে। ট্রেলার দেখার পর আরও নয়া সব থিয়োরি জন্ম নেবে। তার কোনটা সত্যি হবে তা জানতে ছবি মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তবে এটুকু বলাই যায়, ট্রেলার কিন্তু জমজমাট। আগের ছবিগুলির মতোই এই ছবিতেও চোখধাঁধানো গ্রাফিক্স ও চমৎকার এডিটিং থাকবে। সেই সঙ্গে থাকবে পিটার পার্কারের ব্যক্তিগত জীবনের আবেগমথিত দিকগুলিও।
‘নো ওয়ে হোম’ শেষ হয়েছিল এক বিষণ্ণ পরিস্থিতিতে। বান্ধবী এমজে, প্রিয় বন্ধু নেড সক্কলেই ভুলে গিয়েছে পিটারকে। বন্ধুহীন নিঃসঙ্গ পিটার আন্ট মে-র কবরে গিয়ে ফুল দিয়ে আসে। এদিকে একদিন সকালে উঠে সে বুঝতে পারে তার ক্ষমতা হারিয়ে যাচ্ছে! তার ডিএনএ-তে কি মিউটেশন ঘটে যাচ্ছে? তাহলে এর ফল হবে সাংঘাতিক। সাবধান করে ড. ব্যানার। কিন্তু পরিস্থিতি যাই হোক, চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা তো করতেই হবে স্পাইডারম্যানকে। এই লড়াই-ই হয়ে উঠবে ছবির নিউক্লিয়াস। সেকথা ট্রেলার দেখেই হলফ করে বলা যায়।
ট্রেলার জমজমাট। আগের ছবিগুলির মতোই এই ছবিতেও চোখধাঁধানো গ্রাফিক্স ও চমৎকার এডিটিং থাকবে। সেই সঙ্গে থাকবে পিটার পার্কারের ব্যক্তিগত জীবনের আবেগমথিত দিকগুলিও।
তাছাড়া এই ছবির মাধ্যমেই মার্ভেলের দুনিয়ায় পা রাখবে পানিশার। জন বার্নথল অভিনীত এই চরিত্রটি ইতিমধ্যেই নেটফ্লিক্সের শো 'পানিশার অ্যান্ড ডেয়ারডেভিল'- মাধ্যমে তুমুল জনপ্রিয়। হাল্ক, পানিশার ছাড়াও আরও নানা আকর্ষণ থাকতে চলেছে তার ইঙ্গিত রয়েছে ট্রেলারে।
ট্রেলার দেখে উত্তেজিত নেটিজেনরা। অনেকেই বলছেন, এই ছবিতে স্পাইডারম্যানকে দেখা যাবে অনেক 'দগদগে' পরিস্থিতিতে। একদিকে বান্ধবী এমজে-র প্রতি অন্য তরুণের অনুরাগের সাক্ষী হওয়া, অন্যদিকে নিজের অতিমানবিক শরীরের ভিতরে ঘটে চলা টালমাটাল পরিস্থিতের মোকাবিলা করা- সব সামলে স্পাইডারম্যান কি পারবে জয়ী হতে? উত্তর মিলবে ৩১ জুলাই, ছবি মুক্তির দিন। টম হল্যান্ড, জেন্ডায়া অভিনীত এই ছবির পরিচালনায় ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটন।
