বিয়ে মিটেছে সদ্যই। এবার পালা গ্র্যান্ড রিসেপশনের। আগামী ৪ মার্চ, হায়দরাবাদে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আমন্ত্রিত তাবড় তাবড় নেতা-মন্ত্রী। তাই সেখানে আঁটসাঁট নিরাপত্তা থাকার কথা। সূত্রের খবর, নিরাপত্তা নাকি আরও বাড়ানো হচ্ছে। প্রয়োজনে নাকি আমন্ত্রিতদের ভিড়ও কমাতে হতে পারে বিরোশকে। কিন্তু কেন হঠাৎ নিরাপত্তা আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত, স্বাভাবিকভাবেই তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা।
বিয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করেছেন বিজয় ও রশ্মিকা। অমিত শাহের সঙ্গে দেখা হয়েছে তাঁদের। সম্ভবত আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছেন দু'জনই। এছাড়া বলিউডের প্রথম সারির অভিনেতাদের রিসেপশন আমন্ত্রণ করেছেন তাঁরা। তেলুগু, তামিল, মালায়ালম, কন্নড় ছবির অভিনেতারাও বিরোশের গ্র্যান্ড রিসেপশনে আসতে পারেন। সবমিলিয়ে আমন্ত্রিতদের তালিকায় যে ঠাসা হাই প্রোফাইল ব্যক্তিত্বের ভিড়, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
এই পরিস্থিতিতে নাকি ইতিমধ্যেই নাকি প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠক সেরেছেন। সূত্রের খবর, পথেঘাটে ভিড়ভাট্টা এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আমন্ত্রিতদের তালিকাও কাটছাঁট করতে বলা হয়েছে নবদম্পতিকে। তাতে নাকি রাজিও হয়ে গিয়েছেন বিরোশ। কারণ, তাঁদের বিয়ে ঘিরে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হোক, তা চান না বিজয়-রশ্মিকা কেউই। তাই অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা যাতে কোনওভাবে বিঘ্নিত না হয়, সেদিকেই প্রধান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিয়ের মতো রিসেপশনের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট গোপনীয়তা বজায় রাখা হচ্ছে। আমন্ত্রিত ছাড়া কাউকে এই অনুষ্ঠানে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
এখানেই প্রশ্ন উঠছে, আচমকা কেন এত নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে? তবে কি কোনও বিপদের আঁচ করতে পারছেন নিরাপত্তারক্ষাকারীরা? যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। এদিকে, এত কিছুর মাঝে প্রকাশ্যে এসেছে বিরোশের রিসেপশন কার্ড। যেখানে দেখা গিয়েছে, হায়দরবাদে বিলাসবহু তাজ কৃষ্ণতে হবে রিসেপশন। সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হবে পার্টি। সেদিন কেমন লুকে ধরা দেন নবদম্পতি, বিয়ের মতো কোনও ব্যতিক্রমী ছোঁয়া থাকে কিনা, সেদিকে নজর সকলের।
