বৈশাখের কালবেলায় গত মঙ্গলবার মৌনী রায়ের ডিভোর্সের খবর যেন কালবৈশাখীর মতো আছড়ে পড়ে সিনেদুনিয়ায়! আচমকাই রটে যায় মৌনী-সূরজের বিচ্ছেদের গুঞ্জন। জল্পনার সূত্রপাত, পরস্পরকে সোশাল মিডিয়ায় ‘আনফলো’ করা থেকে। এমনকী বিয়ের সমস্ত ছবিও সরিয়ে ফেলেছেন তারকাদম্পতি। স্বামী সূরজ তো আরও একধাপ এগিয়ে ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টই ডিলিট করে দিয়েছেন। হঠাৎ কেন এমন ছন্দপতন? ভক্তমহলের কৌতূহল অস্বাভাবিক নয়। এইমুহূর্তে মৌনী রায়ের দাম্পত্য ভাঙার নেপথ্যে একাধিক তত্ত্ব নিয়ে ফিসফাস চলছে বলিমহলে। এবার মায়ানগরীর সেলেব পাড়ায় নতুন 'খবর'।
মৌনী রায়ের জনপ্রিয়তায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন স্বামী সূরজ! ছবি- ইনস্টাগ্রাম
শোনা যাচ্ছে, নতুন বছরের শুরু থেকেই তাঁদের সম্পর্কে চিড় ধরতে শুরু করেছিল। অন্দরের খবর, মৌনীর স্বামী নাকি প্রতারণা করছেন! বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন সূরজ। শুধু তাই নয়, এমন গুঞ্জনও টিনসেল টাউনের আকাশে-বাতাসে উড়ে বেড়াচ্ছে যে, মৌনীর টাকাপয়সা নয়ছয় করেছেন সূরজ! যদিও সূরজ নিজেই দুবাইয়ের ব্যবসায়ী। সেখানেই থাকেন। তাই আর্থিক প্রতারণার বিষয়টি কতটা সত্যি? তা নিয়ে ধন্দ রয়েই যায়। কিন্তু এবার শোনা গেল, মৌনীর জনপ্রিয়তাই আসলে দাম্পত্যে কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। কীরকম? কানাঘুষো, বিয়ের পর থেকেই নাকি স্ত্রী নায়িকার তুমুল খ্যাতিতে ঢাকা পড়ে যাচ্ছিলেন স্বামী সূরজ। তিনি দুবাই ভিত্তিক একজন বিনিয়োগ ব্যাঙ্কার। থাকেনও সেখানেই। আর মৌনীর জনপ্রিয়তা নিয়েই নাকি অশান্তির সূত্রপাত। গত ছ'মাস ধরে আলাদা থাকছেন তাঁরা। সেই প্রেক্ষিতেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন স্বামী সূরজ?
বুধসন্ধ্যায় ডিভোর্স গুঞ্জনের মাঝে প্রথমবার বাড়ির বাইরে পা রাখেন মৌনী রায়। যেখানে পাপারাজ্জিদের ক্য়ামেরায় ধরা পড়ে তাঁর আঙুল থেকে উধাও বিয়ের আংটি। এমনকী ছবিশিকারীদের এড়িয়েও যান। তাহলে কি খুব শিগগিরিই আইনত বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন মৌনী-সূরজ? কারণ বলিপাড়ার অন্দরমহল বলছে, তারকাদম্পতি গত ৬ মাস ধরে একছাদের তলায় না থাকলেও ডিভোর্সের মামলা দায়ের করেননি।
বলিউডের খ্যাতনামা সাংবাদিক ভিকি লালওয়ানির দাবি, "সূরজ বর্তমানে এমন এক অনুভূতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, যেটা ১৯৭৩ সালে হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়ের কালজয়ী সিনেমা 'অভিমান' রিলিজের পর জয়া ভাদুড়ির ব্যাপক জনপ্রিয়তায় অমিতাভ বচ্চন অনুভব করেছিলেন। সূত্র মারফৎ খবর, সূরজ বিপুল বিত্তবৈভবের মালিক হওয়া সত্ত্বেও মুম্বইতে থাকাকালীন প্রায়শই এমনটা অনুভব করতেন যে, স্ত্রী মৌনীর তুলনায় তাঁকে খুব কম মানুষই চেনেন।" তাতেই কি দাম্পত্যে ফাটল ধরল? এহেন প্রশ্নে যখন সরগরম বলিমহল, তখন বুধসন্ধ্যায় ডিভোর্স গুঞ্জনের মাঝে প্রথমবার বাড়ির বাইরে পা রাখেন মৌনী রায়। যেখানে পাপারাজ্জিদের ক্য়ামেরায় ধরা পড়ে তাঁর আঙুল থেকে উধাও বিয়ের আংটি। এমনকী ছবিশিকারীদের এড়িয়েও যান। তাহলে কি খুব শিগগিরিই আইনত বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন মৌনী-সূরজ? কারণ বলিপাড়ার অন্দরমহল বলছে, তারকাদম্পতি গত ৬ মাস ধরে একছাদের তলায় না থাকলেও ডিভোর্সের মামলা দায়ের করেননি।
মৌনী রায়ের দাম্পত্য ভাঙার নেপথ্যে একাধিক তত্ত্ব নিয়ে ফিসফাস চলছে বলিমহলে!
মায়ানগরীর সেলেবপাড়ার অন্দরে কখন, কোন সম্পর্কের সমীকরণ কীভাবে বদলে যায়, বলা মুশকিল! এবার মৌনী রায়ের চার বছরের দাম্পত্যে চিড় ধরার খবরে শোরগোল টিনসেল টাউন থেকে ভক্তমহলে। ২০২২ সালে গোয়ায় রূপকথার বিয়ে সারেন। করওয়া চৌথ হোক কিংবা যে কোনও অনুষ্ঠান, স্বামী সূরজ নাম্বিয়ারের সঙ্গে এযাবৎকাল সুখের ঘরকন্নার ক্যামেরাবন্দি মুহূর্তই তুলে ধরেছেন বলিউডের বঙ্গতনয়া। কিন্তু আচমকাই কী এমন ঘটল, যার জেরে মৌনীর সংসারে চিড়? গত আটচল্লিশ ঘণ্টায় তোলপাড় বলিমহল থেকে নেটভুবন তোলপাড়। বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে কৌতূহলেরও অন্ত নেই।
