'ধুরন্ধর' জ্বরে কাবু সিনেপ্রেমীরা। সাধারণ মানুষ থেকে সেলিব্রিটি প্রত্যেকের মুখেই সিনেমার জয়গান। পরিচালক সহ সিনেমার কুশাকুশলীদের প্রশংসার পঞ্চমুখ ১৩ থেকে ৮৩। এবার প্রেক্ষাগৃহে বসে ব্লকবাস্টার ছবি ধুরন্ধর ২-এর স্বাদ আস্বাদন করলেন অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতম। স্বামী আদিত্য ধরের এহেন সাফল্য স্ত্রী উপভোগ করবে না তাই কখনও হয়? সিনামর প্রায় প্রতিটি শো-ই হাউজফুল। সেইরকমই এক প্রেক্ষাগৃহে হলভর্তি দর্শকের ভিড়ে বসে সিনেমা দেখলেন আদিত্য ঘরনি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর বোন সুরিলাই গৌতম।
তিনিই সোশাল মিডিয়ায় দুই বোনের সিনেমা দেখার মুহূর্তটি সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। ইয়ামি নিজেও সেই পোস্টটি পুনরায় নিজের অ্যাকাউন্টে শেয়ার করেছেন। ভিডিওটি-তে স্পষ্ট, সকলের মাঝে দর্শকাসনে বসে ধুরন্ধর ২-এর বুঁদ দুজনে।
ভিড়ের আড়ালে দর্শকাসনে ইয়ামি। ছবি: ইনস্টাগ্রাম
'ধুরন্ধর ২'-এ ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইয়ামি। পর্দায় নিজেকে দেখে লজ্জায় মুখ লুকানোর চেষ্টা করলে চুপ থাকতে ইশারা করেন বোন। দর্শক যাতে তাঁকে চিনতে না পারেন তাই চুপ করে বসতে বলেন।
ভিডিওটি শেয়ার করে সুরিলি একটি আবেগঘন বার্তায় লেখেন, 'আরও একটি মাস্টারপিস তৈরি করার জন্য আদিত্য ধর ফিল্মসকে আরও একবার স্যালুট। অসাধারণ ছবি এবং আমরা ভীষণ গর্বিত। তোমার এই সাফল্য উদযাপন করছি। আমার সুন্দর দিদি ইয়ামি গৌতম যে সবসময় তোমার শক্তি আর সৌভাগ্যের প্রতীক, তোমাদের দুজনকেই অনেক ভালবাসি। এখন পার্টি করা যাক!'
এই পোস্টে ইয়ামির পালটা প্রতিক্রিয়া 'তোমাকে ভালোবাসি'। ধুরন্ধর ২-এ ক্যামিও চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইয়ামি। পর্দায় নিজেকে দেখে একেবারে লাজে রাঙা অভিনেত্রী। মুখ লুকানোর চেষ্টা করেন। সেই সময়ই সুরিলিকে চুপ থাকতে ইশারা করেন যাতে দর্শক তাঁকে চিনতে না পারেন।
গত ১৯ মার্চ মুক্তি পেয়েছে 'ধুরন্ধর ২'। পয়লা সপ্তাহেই বিশ্বজুড়ে হাজার কোটির বেশি ব্যবসা করে ‘বক্স অফিসের বাবা’ খেতাব ছিনিয়ে নিয়েছে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’। আর সংশ্লিষ্ট ফ্র্যাঞ্চাইজির হাত ধরেই রণবীরের মন্দা কেরিয়ারের শাপমোচন ঘটেছে, তা বলাই বাহুল্য।
পরিবারের সঙ্গে সাফল্য উদযাপনে মেতে খোদ রণবীরও। মুম্বইয়ে দক্ষিণী খাবারের জন্য জনপ্রিয় রেস্তরাঁ ‘বেনে’র তরফে শেয়ার করা ছবিতে দেখা গেল, রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মীদের সঙ্গে হাসিমুখে ছবি তুলেছেন রণবীর সিং। আর সেই ফ্রেমের মধ্যমণি দীপিকা হাসিমুখে ‘ভিকট্রি’ চিহ্ন দেখিয়ে নজর কাড়লেন। পিছনেই দাঁড়িয়ে আছেন তাঁর শ্বশুর জগজিৎ।
