ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, টলিউডের ব্যস্ততম অভিনেত্রী। মঙ্গলবার সন্ধেয় বন্ধু চৈতি ঘোষালের সঙ্গে পরবর্তী সিনেমার পোস্টার প্রকাশ্যে নিয়ে এলেন তিনি। প্রথমবার পরিচালকের আসনে চৈতি। বছর দুয়েক আগেই শোনা গিয়েছিল, 'পরিচালক' চৈতির ডেবিউ সিনেমায় বিশেষ ভূমিকায় অভিনয় করবেন ঋতুপর্ণা। এদিন সেই ছবিরই পয়লা পোস্টার উন্মোচিত হল।
সিনেমার নাম 'নেভার মাইন্ড'। নামেই ইঙ্গিত, নিষিদ্ধ গল্প ছুঁয়ে এক সামাজিক বার্তা দিতে চলেছে এই ছবি। উল্লেখ্য, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর সঙ্গে চৈতিপুত্র অমর্ত্য রায়ও মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তবে 'নেভার মাইন্ড'-ই অমর্ত্যর প্রথম ছবি নয়। বড়পর্দায় এর আগেও কাজ করেছেন তিনি। কিন্তু এবার মা চৈতি ঘোষালের পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করছেন অমর্ত্য। আর মা-ছেলের এই সিনেসফরের দোসর হয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এদিন সন্ধেয় আনুষ্ঠানিকভাবে 'নেভার মাইন্ড'-এর পোস্টার প্রকাশ্যে নিয়ে এলেন তাঁরা। যে প্রচারঝলক ভাগ করে নিয়ে 'ম্যাডাম সেনগুপ্ত'র মন্তব্য, "কিছু রাত আসে নিঃশব্দে, আর বদলে দিয়ে যায় সবকিছু, তেমনই এক রাতের গল্প নিয়ে আসছে 'নেভার মাইন্ড'।" সিনেমার গল্পটা কীরকম?
মা-ছেলে চৈতি-অমর্ত্যর এই সিনেসফরের দোসর হয়েছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
'নেভার মাইন্ড' সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে এক নারীকে ঘিরে। যে তাঁর অতীতের এক বিষয় খুঁজতে খুঁজতে হাজির হয় শহরের এক পানশালায়। আর সেখানেই তাঁর দেখা হয় একজন অল্পবয়সি সঙ্গীতশিল্পীর সঙ্গে। যে বারে গান গায়। এই ছবিতে কলকাতার এমন কিছু মানুষদের গল্প তুলে ধরা হবে, যাদের পেশা ভিন্ন, জীবনের মূল্যবোধ এমনকী দর্শনও ভিন্ন। তাঁদের নিয়েই অভিনেত্রী তথা পরিচালক চৈতি বলবেন 'নেভার মাইন্ড'-এর গল্প। এই ছবিতে শহরের বিস্ময় চারণক্ষেত্র পার্ক স্ট্রিটকে পাওয়া যাবে একেবারে অন্যরকমভাবে। বলা ভালো, পার্কস্ট্রিটের প্রেক্ষাপটেই এগিয়েছে এই সিনেমার গল্প। খবর, ছবিতে মানবিক বার্তাও থাকছে। এই ছবির গল্পকার সম্রাট। চিত্রনাট্য লিখেছেন সম্রাট ও মিতালি ঘোষাল রুদ্র। ছবির চিত্রগ্রহণ করেছেন গোপী ভগৎ। ছবির আবহসঙ্গীত ও গানের দায়িত্বে রূপম ইসলাম।
