কাবুলের হাসপাতালে পাকিস্তানের নৃশংস হামলায় (Pakistan Air Strike) মৃত্যু হয়েছে ৪০০ জনের। আহত হয়েছেন ২৫০ জনের বেশি। এহেন বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে গর্জে উঠেছেন আফগানিস্তানের ক্রিকেটাররা। রশিদ খান, মহম্মদ নবি, নবীন উল হক-প্রত্যেকেই তুলোধোনা করেছেন পাকিস্তানকে। এবার আরেক আফগান ক্রিকেটার আল্লা গজনফার পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন। সঙ্গে ভারতেরও সাহায্য চাইলেন।
সোমবার রাতে কাবুলের হাসপাতালে হামলা হয়। ধ্বংস হয়ে যায় হাসপাতালের বিরাট অংশ। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে গোটা হাসপাতাল। সেই মর্মান্তিক দৃশ্যের ছবি ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়। পাকিস্তান যদিও দায় অস্বীকার করেছে। তবে ছেড়ে কথা বলছেন না আল্লা গজনফার। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, "এই মানুষগুলোর চিকিৎসার টাকা নেই। হাসপাতালে আক্রমণ করে এরা মানুষ মারছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।"
তাঁর সংযোজন, "আমি জানি না ওরা কী প্রমাণ করতে চাইছে। তারা সাধারণ, অসহায় মানুষকে হত্যা করছে।" তারপরই পাকিস্তানের উদ্দেশে আফগান ক্রিকেটারের হুঁশিয়ারি, "সবাই আফগানিস্তানের ইতিহাস জানে। যদি সেই ইতিহাস ফিরে আসে, তাহলে সেটা পাকিস্তানের জন্য ভালো হবে না।"
সেই সঙ্গে গজনফার ভারতের সাহায্য চাইছেন। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের স্পিনার বলছেন, "ভারত আমাদের ভালো বন্ধু। আমরা চাই ওরাও এই বিষয়ে যুক্ত হোক। এই সমস্যা নিয়ে কথা বলুক। তাহলে এরকম ঘটনা আর ঘটবে না। অন্য দেশগুলোকেও আমি একই অনুরোধ করব। এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বে বহু সমস্যা রয়েছে। তার মাঝে সাধারণ মানুষকে এভাবে হত্যা করা একেবারেই ঠিক নয়।"
ভারত আমাদের ভালো বন্ধু। আমরা চাই ওরাও এই বিষয়ে যুক্ত হোক। এই সমস্যা নিয়ে কথা বলুক। তাহলে এরকম ঘটনা আর ঘটবে না।
উল্লেখ্য, গত বছর পাক হামলায় মৃত্যু হয়েছিল আফগানিস্তানের তিন তরুণ ক্রিকেটারের। এঁদের মধ্যে একজন জাতীয় দলে আসার দৌড়ে ছিলেন। বাকিরাও আফগান ক্রিকেট মহলে যথেষ্ট পরিচিত নাম। সেসময়েও পাকবিরোধিতায় সরব হয়েছিলেন রশিদরা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ত্রিদেশীয় সিরিজও বয়কট করে আফগানিস্তান। মঙ্গলবারের মর্মান্তিক হামলার পর কি পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রিকেটীয় সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করবে আফগানিস্তান?
