অবশেষে ১৫ বছর বয়সে পা দিল বৈভব সূর্যবংশী। অর্থাৎ দেশের হয়ে খেলার যোগ্য বিহারের 'বিস্ময় প্রতিভা'। আইপিএলের গণ্ডি ছাড়িয়ে বৈভবের দাপট দেখেছে গোটা দুনিয়া। এবার আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের জার্সিতে নয়া পরীক্ষা। তার আগে রইল বৈভবের সম্পত্তির খতিয়ান। ১৫ বছর বয়সেই কয়েক কোটি টাকার মালিক সে।
আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে তার বেতন ১.১০ কোটি টাকা। কিন্তু সেটাই একমাত্র রোজগারের পথ নয়। অনূর্ধ্ব-১৯ দলে নিয়মিত খেলার সুবাদে ম্যাচ পিছু পায় ২০ হাজার টাকা। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপও জিতেছে সে। তার জন্য প্রত্যেকে ৪০ লক্ষ টাকা করে পেয়েছে। গত মরশুমেও ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত খেলেছে। সেখানে দিন পিছু আয় ৪০ হাজার টাকা। এছাড়া আইপিএল, আন্তর্জাতিক ম্যাচের বোনাস থেকেও টাকা পায়। সঙ্গে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনেও বৈভবকে দেখা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে ১৫ বছর বয়সেই সম্পত্তির পরিমাণ ২.৫ কোটির টাকা বেশি হবে বলে অনুমান।
চোদ্দর কিশোরের ব্যাটিং বৈভব দেখে ক্রিকেটপ্রেমীদের অনেকেই মনে করছেন এবার হয়তো তাকে জাতীয় দলে ডেকে নেওয়ার সময় এসেছে। এবার আর আইসিসি'র বাধাও নেই। নিয়ম অনুযায়ী, সিনিয়র দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে গেলে ন্যূনতম ১৫ বছর বয়স হতে হয়। বলা হয়েছে, ১৫ বছরের কম বয়সি কোনও ক্রিকেটারের যদি খেলার পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা, পরিণত মানসিকতা এবং শারীরিক প্রস্তুতি থাকে, তাহলে ওই ক্রিকেটারকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার অনুমতি দেওয়া হবে। গত আইপিএলে অভিষেকের পর থেকেই সেনসেশন বৈভব। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিল। তারপর ১৭৫ রান করে ভারতকে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতায় বৈভব।
ভারতের জার্সিতে সবচেয়ে কম বয়সে খেলার নজির রয়েছে শচীন তেণ্ডুলকরের। তাঁর টেস্ট অভিষেক হয় ১৬ বছর ২০৫ দিন বয়সে। তবে সবচেয়ে কম বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার নজির আছে পাকিস্তানের হাসান রাজার। ১৯৯৬ সালে ১৪ বছর ২২৭ দিন বয়সে তাঁর টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। তবে নিয়ম বদলে যাওয়ায় এই বিশ্বরেকর্ড ভাঙা যাবে না।
