সতীর্থের সঙ্গেই পরকীয়ায় মত্ত অস্ট্রেলিয়া দলের ভাইস ক্যাপ্টেন। তার জেরে স্ত্রীকে ত্যাগ করতেও পিছপা হননি তারকা ক্রিকেটার! দিনকয়েক আগে এমনই অভিযোগ উঠেছিল অজি তারকা অ্যাশলে গার্ডনারের (Ashleigh Gardner) বিরুদ্ধে। তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী মনিকা রাইট দাবি করেন, ভারতে বিশ্বকাপ চলাকালীন অজি ক্রিকেটার জর্জিয়া ভলের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়েছেন অ্যাশলে। ওই সম্পর্কের কারণেই বিবাহিত জীবন ভেঙেছে বলে মনিকার দাবি। গোটা বিতর্ক নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন অজি ক্রিকেটার।
২০২০ সালে একটি অ্যাপে পরিচয় গার্ডনার ও মনিকার। প্রায় পাঁচ বছরের প্রেমের পর ২০২৫-র এপ্রিলে বেশ ঘটা করে বিয়ে করেন। কিন্তু বিয়ের পরই পরকীয়ায় জড়ান গার্ডনার। অস্ট্রেলিয়া সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তাঁদের সম্পর্ক ক্রমশ খারাপ হতে থাকে। এরপর নভেম্বরে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে আসেন গার্ডনার। সেই সময় থেকে ভলের সঙ্গে সম্পর্ক শুরু। দলের অন্যান্য সতীর্থরাও দু’জনের ‘ঘনিষ্ঠতা’ খেয়াল করেন। কিন্তু কোনও প্লেয়ারই ব্যাপারটায় নাক গলাননি। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেটারদের অনেকেই গার্ডনারের পরকীয়ার কথা জানতেন বলে খবর।
গোটা বিষয়টি নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন মনিকা। অজি ক্রিকেট বোর্ডের কাছে অনুরোধ জানান, সতীর্থের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ানো অ্যাশলের সহ অধিনায়কত্ব কেড়ে নেওয়া হোক। জর্জিয়াকেও আক্রমণ করেছেন তিনি। যদিও অস্ট্রেলিয়া বোর্ড এই নিয়ে কিছুই বলেনি। অভিযোগ ওঠার মাসখানেক পরে যাবতীয় বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন অ্যাশলে। তবে পরকীয়া নিয়ে কিছুই বলেননি।
ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লেখেন, 'বিচ্ছেদটা আমার একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। মনিকার সঙ্গে যে সময়টা কাটিয়েছি তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। যন্ত্রণা দেওয়ার জন্য ক্ষমা চাইছি। ওর আগামী জীবন ভালো কাটুক এই কামনা করি। তবে এই সময়টায় অস্ট্রেলিয়া বোর্ড যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছে, আমাকে সহ-অধিনায়কত্ব চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে তাতে আমি কৃতজ্ঞ। আগামী দিনে এই দায়িত্ব আরও ভালোভাবে পালন করার চেষ্টা করব।' অর্থাৎ সতীর্থের সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ উঠলেও অ্যাশলের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। আগামী দিনে এই ইস্যুতে আর মুখ খুলবেন না বলেও জানিয়েছেন অ্যাশলে।
