টি-২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়ায় মহা সংকটে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট। এবার অলিম্পিকের মতো মেগা ইভেন্টে সরাসরি খেলার সুযোগ নাও পেতে পারে অজিরা। অন্তত পরিস্থিতই সেদিকেই গড়াচ্ছে।
দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অলিম্পিকে ক্রিকেট ফিরছে। ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিকে টি-২০ ফরম্যাটে ক্রিকেট আয়োজিত হবে। সব মিলিয়ে মোট ৬টি দেশ অলিম্পিক ক্রিকেটের মূল পর্বে সুযোগ পাবে। সেক্ষেত্রে প্রতিটি মহাদেশ থেকে একটি করে দল। এবং বাছাই পর্বের মাধ্যমে একটি দল বেছে নেওয়া হতে পারে। দল বাছাইয়ের এই পর্ব চূড়ান্ত নয়। তবে আইসিসি এবং আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থা মোটামুটি ঠিক করে ফেলেছে, এক মহাদেশ থেকে একটি দলই সুযোগ পাবে। সেটা বাছাই করা হবে আইসিসি ক্রমতালিকার ভিত্তিতে।
টি-২০ বিশ্বকাপের শুরুতে যা পরিস্থিতি ছিল তাতে এশিয়া থেকে ভারত, আফ্রিকা থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা, ওশিয়ানিয়া থেকে অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ থেকে গ্রেট ব্রিটেন দলের সুযোগ পাওয়ার কথা। এছাড়াও আমেরিকারও সরাসরি সুযোগ পাওয়ার কথা। কিন্তু বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে ছিটকে যাওয়ায় সেই সম্ভাবনা জোরালো ধাক্কা খেয়েছে। যা পরিস্থিতি তাতে নিউজিল্যান্ড যদি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল বা ফাইনালে পৌঁছে যায়, তাহলে আইসিসি টি-২০ ক্রমতালিকায় অস্ট্রেলিয়াকে টপকে যাবে কিউয়িরা। সেক্ষেত্রে ওশিয়ানিয়া থেকে সরাসরি অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পেতে পারে নিউজিল্যান্ড। সেক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়াকে বাছাই পর্বের বহু ম্যাচ খেলতে হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে শেষবার অলিম্পিকে ক্রিকেট আয়োজিত হয়েছিল। তারপর থেকেই অস্ট্রেলিয়া গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্তির জোরালো সমর্থক। ২০২৮ সালে অলিম্পিকে যে ক্রিকেট ফিরছে, সেটার পিছনে অন্যতম কৃতিত্বের দাবিদারও এই অজিরাই। তারাই যদি সরাসরি অলিম্পিকে খেলার সুযোগ না পায়, সেটা চূড়ান্ত হতাশাজনক হবে।
