পাকিস্তানকে ৬১ রানে হারিয়ে আগেই সুপার এইট নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল টিম ইন্ডিয়ার। বুধবার নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে পুরোদস্তুর নিয়মরক্ষার ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা যুদ্ধের প্রস্তুতি সারল ভারতীয় ব্যাটিং। 'অনামী' ডাচ বোলারদের বিরুদ্ধে প্রথম দিকে রীতিমতো পরীক্ষা দিতে হল সূর্যকুমার যাদবদের। তবে শিবম দুবের অনবদ্য ইনিংস আর শেষ বেলায় হার্দিক পাণ্ডিয়ার ঝোড়ো ইনিংসে ভর করে স্কোর বোর্ডে শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১৯৩ রান তুলল ভারত।
এদিন টসভাগ্য সহায় হয় ভারত অধিনায়কের। ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। ম্যাচটি নিয়মরক্ষার হলেও ‘সার্চলাইটে’ ছিলেন অভিষেক শর্মা। বাঁহাতি ওপেনার এদিনও হতাশ করলেন। বিশ্বকাপে তিন ম্যাচ খেললেও একটা রানও করা সম্ভব হল না তাঁর পক্ষে। শূন্যের গেরো কাটাতে তো পারলেনই না, বরং শূন্যের হ্যাটট্রিক করলেন। তাঁর উইকেট ভেঙে দিলেন আর্যন দত্ত।
এরপর রানের গতি কমতে দেননি ঈশান কিষান এবং তিলক বর্মা। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে আউট হতে হয় তাঁকে। থাই প্যাড এবং কনুইয়ে লেগে বল উইকেট ভেঙে দেয়। ৭ বলে ১৮ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরতে হল ঈশানকে। এরপরেই রানের গতি অনেকটা কমে যায়। সূর্য এবং তিলক সিঙ্গেল রানে জোর দিয়ে স্কোর বোর্ড সচল রাখেন। ৩১-এর বেশি এগোল না তিলকের ইনিংস। সূর্যের ইনিংস সাঙ্গ হল ৩৪-এ। ১১০ রানে ৪ উইকেট খুইয়ে তখন কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে যায় টিম ইন্ডিয়া।
সেখান থেকে ভারতকে টেনে তোলার দায়িত্ব নেন শিবম দুবে এবং হার্দিক পাণ্ডিয়া। ৩১ বলে ৬৬ করলেন শিবম। মারলেন চারটে ৪ এবং ছ'টা ছক্কা। হার্দিক করলেন ২১ বলে ৩০। তাঁর হয়ে আহমেদাবাদের গ্যালারিতে গলা ফাটালেন ভারতীয় অলরাউন্ডারের 'হৃদয়হরণী' মাহিকা শর্মা। তবে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের ২২ গজ প্রথম দিকে যেভাবে আচরণ করল, তাতে একটা প্রশ্ন উঠতে বাধ্য, পিচ পড়তে কি ভুল করেছিলেন ভারতীয় ব্যাটাররা?
