বৈভব সূর্যবংশীকে আবিষ্কার করেছে রাজস্থান রয়্যালস। ১৫ বছরের কিশোর ২২ গজে নামলেই নজির হয়। বৈভব মাঠে নামলেই চার-ছক্কার তাণ্ডব চলে। তাকে জাতীয় দলে দেখার অপেক্ষায় দেশের ক্রিকেটভক্তরা। কিন্তু রাজস্থানেই 'ক্ষতি' হচ্ছে বৈভবের। এমনটাই দাবি প্রাক্তন ক্রিকেটার সঞ্জয় মঞ্জরেকরের। যে পরিকল্পনায় রাজস্থান রয়্যালস বৈভবকে ব্যবহার করছে, সেটা আসলে বিস্ময় প্রতিভার উন্নতিতে বাধা দিচ্ছে। অবশ্য তার জন্য দায়ী করা যেতে পারে আইপিএলের একটি নিয়মকে।
প্রতি ম্যাচেই দেখা যাচ্ছে, বৈভব ব্যাট করছে। কিন্তু তাকে দিয়ে ফিল্ডিং করানো হচ্ছে না। 'ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার' নিয়ম ব্যবহার করায় পুরো ৪০ ওভার মাঠে খেলছে না। অর্থাৎ তাকে ফিল্ডিং করতে দেখা যাচ্ছে না। এতে বৈভবের সার্বিক উন্নতি বাধা পাচ্ছে বলে মত মঞ্জরেকরের। তিনি বলেন, "ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের নিয়মটা বাদ দিতে হবে। আমরা বৈভবের শুধু একটা দিক দেখতে চাই না। একজন ভালো ক্রিকেটার, ব্যাটিং-ফিল্ডিং দুটোই ভালো করে। সেটাই একজন ক্রিকেটারের মাপকাঠি। শুধু একজনের মারকুটে ব্যাটিংয়ের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ৬ বল খেলানো উচিত নয়।"
মঞ্জরেকরের সংযোজন, "তাকে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে খেলানো হলে ফিল্ডার হিসেবে উন্নতিতে বাধা পাবে। আমি বৈভবকে মাঠে দেখতে চাই। চাপের মুখে পড়ুক। হতে পারে সে দারুণ ব্যাটার, কিন্তু ফিল্ডিংয়ে ততটা ভালো না। আমি চাই সেই দুর্বলতাটা কাজে লাগানো হোক। আমার নিজের অভিজ্ঞতা ছিল, ফিল্ডার হিসেবে ক্যাচ ফেললে একটা দুশ্চিন্তা থাকে। কিন্তু ব্যাটিংয়ের সময় সেটা উড়িয়ে দিতে পারলে ভালো লাগে। আমি কখনই চাই না, খেলাটা এত সহজ হয়ে যাক।" উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত ১১ ম্যাচে ৪৪০ রান করেছে বৈভব। এর আগে রোহিত-বিরাটদের মতো ক্রিকেটারের বক্তব্য ছিল যে, এই নিয়মের কারণে অলরাউন্ডারদের গুরুত্ব কমে যাচ্ছে। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের কারণে প্লেয়ারের স্কিলটাই গৌণ হয়ে যাচ্ছে বলে মত ছিল তাঁদের।
