ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। প্রথমবার নিজেদের দেশের মাটিতে পাকিস্তানকে টেস্টে হারাল 'টাইগাররা'। ঢাকার শেরে-এ-বাংলা স্টেডিয়ামে ১০৪ রানে জিতল বাংলাদেশ। এর আগে পাকিস্তানে গিয়ে তাদের দুই টেস্টে হারিয়েছিল। এবার নিজেদের ঘরে। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি ও নাহিদ রানার পাঁচ উইকেট পার্থক্য গড়ে দিল। আর সেই সঙ্গে চর্চায় শাহিন শাহ আফ্রিদির বিরুদ্ধে বল বিকৃতির অভিযোগ।
এর আগে পাকিস্তান সুপার লিগে বল বিকৃতি করে শাস্তি পেয়েছিলেন। দেড় মাসের মধ্যে ফের একই পরিস্থিতি। এবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট চলাকালীন এমন কাণ্ড করলেন, যা ফের বল বিকৃতির অভিযোগ উসকে দিল। যদিও আম্পায়ার শেষ পর্যন্ত পাক পেসারকে শাস্তি দেননি।
ঢাকায় প্রথম টেস্টে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ তোলে ৪১৩ রান। সেঞ্চুরি করেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। জবাবে আজান আওয়াইসের সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানের ইনিংস থামে ৩৮৬ রানে। মেহেদি হাসান পান ৫টি উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৪০ রান তুলে ডিক্লেয়ার ঘোষণা করে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের জন্য লক্ষ্য ছিল ২৬৮। শেষদিনে অন্তত ড্রয়ের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন আবদুল্লা ফজল। কিন্তু নাহিদ রানার গতির সামনে সব প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে। শেষমেশ ১৬৩ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তানের ইনিংস। শান মাসুদরা হারেন ১০৪ রানে।
এর মধ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের সময় বিতর্ক বাঁধে। একটি বলের পর পা দিয়ে বল থামান শাহিন। কিন্তু সেখানেই থামেননি। ফের বুটের স্পাইক দিয়ে বলের উপর চাপ দেন। এতে বলের আকার বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যা কার্যত বল বিকৃতির শামিল। সঙ্গে সঙ্গে আম্পায়ার বলটি পরীক্ষার জন্য চেয়ে নেন। তবে পরীক্ষার পর কোনও ত্রুটি খুঁজে পাননি আম্পায়ার। আফ্রিদির হাতে বল তুলে দেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে পাক পেসার ৫ উইকেট পেয়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৪০০ উইকেটের দিনই বিতর্ক বাঁধালেন তিনি।
