তারকা সংস্কৃতির তুমুল বিরোধী গৌতম গম্ভীর। কিন্তু তিনিই জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের শ্রেণিবিভাজন করছেন! বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফ। গত রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ চলাকালীন চোট পান ওয়াশিংটন সুন্দর। তা সত্ত্বেও ব্যাট করতে নামেন তারকা অলরাউন্ডার। সেই নিয়েই কাইফের প্রশ্ন, শুভমান গিল চোট পাওয়ার পর তাঁকে আর নামানো হয়নি। তাহলে সুন্দরকে নামানো হল কেন?
রবিবার বল করার সময়ে আচমকাই সুন্দরের পিঠে টান লাগে। ব্যথা এতটাই তীব্র ছিল যে, সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছিলেন না। এমনকী পিঠ চেপে ধরে ঝুঁকেও পড়েন। সঙ্গে সঙ্গে ছুটে আসেন সাপোর্ট স্টাফ। মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয় ওয়াশিংটনকে। আর বল করতে পারেননি তিনি। কিন্তু ২২ বলে ২২ রান বাকি থাকার সময়ে ফের ব্যাট করতে নামেন। তাঁকে দেখেই বোঝা যাচ্ছিল, যন্ত্রণা নিয়েই খেলতে হচ্ছে। দৌড়ে রানও নিতে পারছিলেন না, তার ফলে রান তাড়ার ক্ষেত্রেও চাপ বাড়ে ভারতের উপর।
শেষ পর্যন্ত ভারত জিতলেও নিউজিল্যান্ড সিরিজ থেকে ছিটকে যান ওয়াশিংটন। সাইড স্ট্রেনের কারণে গোটা সিরিজ থেকে ছিটকে গিয়েছেন। তারপরেই গোটা বিষয়টি নিয়ে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ক্ষোভ উগরে দেন কাইফ। বলেন,"ইডেনে যখন শুভমান চোট পেল, ওই টেস্টে আর ব্যাট করতে নামেনি। ম্যাচটা কিন্তু লো স্কোরিং ছিল, শুভমান ২০-৩০ রান করলে ভারত হয়তো জিতে যেত। শুভমানের চোট যেন বেড়ে না যায় সেকথা ভেবে টিম ম্যানেজমেন্ট ওকে আর মাঠে নামায়নি। সুন্দরের ক্ষেত্রে কিন্তু সেই মানসিকতা দেখাল না ম্যানেজমেন্ট।"
"শুভমানের চোট যেন বেড়ে না যায় সেকথা ভেবে টিম ম্যানেজমেন্ট ওকে আর মাঠে নামায়নি। সুন্দরের ক্ষেত্রে কিন্তু সেই মানসিকতা দেখাল না ম্যানেজমেন্ট।"
কাইফের মতে, রবিবারের ম্যাচটা ভারতের নিয়ন্ত্রণে ছিল, তাই চোট পাওয়া ক্রিকেটারকে নামিয়ে বিরাট ঝুঁকি নিয়েছে ম্যানেজমেন্ট। এই ঝুঁকির ফলে সুন্দরের যে চোট হয়তো ১০ দিনে সেরে যেত, সেটা সারতে ৩০ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। সরাসরি গম্ভীরের নাম না নিলেও ম্যানেজমেন্টকেই বিঁধেছেন কাইফ। উল্লেখ্য, ঘরের মাঠে টি-২০ বিশ্বকাপ শুরু হতে আর একমাসও বাকি নেই। বিশ্বকাপের স্কোয়াডে রয়েছেন ওয়াশিংটন। তিনি যদি মেগা টুর্নামেন্টের আগে সুস্থ হতে না পারেন তাহলে ধাক্কা খাবে ভারতই।
