বিভীষিকার মতো শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপ সফর। পেটের সমস্যা। টানা তিন ম্যাচে শূন্য। সেখান থেকে কামব্যাক করে ফাইনালে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছিলেন অভিষেক শর্মা (Abhishek Sharma)। যার নেপথ্যে সূর্যকুমার যাদব, হার্দিক পাণ্ডিয়াদের মহামূল্য উপদেশ। তাঁরা অভিষেককে বলেছিলেন সোশাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকতে। অন্যদিকে কোচ গৌতম গম্ভীর আবার বলেছিলেন, আরও আগ্রাসী খেলতে। সেই মন্ত্রেই কামব্যাক।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শূন্যের হ্যাটট্রিক করেছিলেন অভিষেক। সমালোচনা সত্ত্বেও তাঁকে খেলানো হয়। আর ফাইনালে ২১ বলে ৫২ রানের অভিষেকোচিত ইনিংস খেলে যান তিনি। অবশেষে অভিষেক জানালেন, ঠিক কী পরামর্শ পেয়েছিলেন সতীর্থদের থেকে।
অভিষেক বলছেন, "সমালোচনা হলে খারাপ তো লাগবেই। দেশবাসীর অনেক প্রত্যাশা আমার কাছে। তিনটে শূন্য করার পর সূর্য, জিজি স্যর (গৌতম গম্ভীর) ও হার্দিক পাণ্ডিয়া আমার কাছে আসে এবং বলে, 'ফোন ধর আর এখনই সোশাল মিডিয়া ডিলিট কর।' সেটা আমাকে খুব সাহায্য করেছে। বহু লোক বহু কিছু বলছিল। শুনতে হবে আবার কানেও তোলা যাবে না। কখনও ভালো খেলবে, কখনও ভালো খেলবে না। ক্রিকেটারের জীবনই এরকম।"
অন্যদিকে গৌতম গম্ভীর আবার ফাঁস করলেন অভিষেককে কী পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনটে শূন্যের পর অনেকে বলেছিলেন, সাবধানে খেলতে। কিন্তু ভারতের কোচ সম্পূর্ণ বিপরীত পরামর্শ দেন। তিনি জানালেন, "২০১৪-র আইপিএলে আমিও শূন্যের হ্যাটট্রিক করেছিলাম। তাই আমি বিষয়টা জানি। আমি শুধু অভিষেককে বলি, তোমার অফ ফর্ম চলছে না। তুমি শুধু রান পাচ্ছ না। যদিও ২০-৩০ বল খেলে রান না পাও, তাহলে কথা হবে। আমি ওকে বলি, পরের ম্যাচে গিয়ে আরও আক্রমণাত্মক খেলবে। যদি প্রথম বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে পারো তো মারবে। দুনিয়া কী বলছে, এসব নিয়ে ভাববে না। ড্রেসিংরুমে ৩০ জন কী বলছে, সেটাই আসল। আমরা তোমার উপর ভরসা করি।"
