প্রথমে আয়ারল্যান্ড, তারপর ইংল্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজে হার। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত ইউরোপে গিয়ে মাটি খুঁজে পায়নি। তারপর ওয়ানডে সিরিজেও হেরেছে। জিম্বাবোয়ে সিরিজে আপাতত ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে টিম ইন্ডিয়া। কিন্তু ইউরোপের পারফরম্যান্স যথেষ্ট চিন্তাজনক। নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারের অনেক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ক্রিকেটভক্তরা। সব নিয়ে এবার বিসিসিআইয়ের সামনে 'পরীক্ষা'য় বসতে হবে শ্রেয়স ও কোচ গৌতম গম্ভীরকে।
সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার পর নতুন অধিনায়ক করা হয় শ্রেয়সকে। কার্যত 'বহিরাগত' থেকে নেতৃত্বের দায়িত্ব পেয়েছেন। গম্ভীর-শ্রেয়স জুটি ইউরোপে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যর্থ হয়েছে। জিম্বাবোয়ে সিরিজে কোচিংয়ের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ভিভিএস লক্ষ্মণ।
কেন এই দুরবস্থা? জানা গিয়েছে, জিম্বাবোয়ে থেকে ফিরলেই মুম্বইয়ে ভারতীয় বোর্ডের হেডকোয়ার্টারে একটি মিটিং হবে। যেখানে গম্ভীর-শ্রেয়স ছাড়াও লক্ষ্মণ, নির্বাচকরা, বোর্ডকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। সেখানে কি কোনও কড়া পদক্ষেপ হতে পারে? একটি সর্বভারতীয় সংবাদপত্রের মতে, সম্ভবত টিম ইন্ডিয়ায় কোনও বড় বদল আসবে না। কারণ, বিসিসিআইয়ের এখন লক্ষ্য আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপ। দল নির্বাচন, ট্যাকটিকাল পরিকল্পনা, বিদেশের মাটিতে মানিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি ও ভারতীয় ক্রিকেটের বৃহত্তর রোডম্যাপ তৈরিই আপাতত পরিকল্পনা।
দু'টো সিরিজ হারলেও এখনও পর্যন্ত গম্ভীর-শ্রেয়সরা বোর্ডের সমর্থন পেয়েছেন। কিন্তু বোর্ডের অন্দরেও চাপা উদ্বেগ আছে। আয়ারল্যান্ড-ইংল্যান্ড সিরিজের ফল নিয়ে অনেকেই উদ্বিগ্ন। গম্ভীরের চাকরি যাওয়ার সম্ভাবনা নেই ঠিকই, তবে চাপ নিশ্চিতভাবেই বাড়বে। এমনিতেই টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বেশ উদ্বেগজনক। এবার সাদা বলে বিশ্বজয় করেও আশঙ্কার ছবি। তবে শ্রেয়স বা গম্ভীর, কারও উপরই বাড়তি চাপ দিতে চায় না বিসিসিআই।
