ভারত: ২১৯/৫ (ঈশান ৮১, তিলক ৬০*, মুজারাবানি ৩৬/১)
জিম্বাবোয়ে: ১২৯/১০ (বেনেট ৩২, অভিষেক ১৭/৩, প্রিন্স ১০/২)
ভারত ৯০ রানে জয়ী
ইংল্যান্ড-আয়ারল্যান্ডে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হার। ইউরোপের মাটিতে থই খুঁজে পায়নি অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারের দল। তবে সামনে জিম্বাবোয়েকে পেতেই জেগে উঠল টিম ইন্ডিয়া। প্রথম ম্যাচে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও সহজেই জয় পেল ভারত। ঈশান কিষান-তিলক বর্মাদের ব্যাটে জিম্বাবোয়েকে ৯০ রানে হারিয়ে সিরিজ পকেটে ভরলেন শ্রেয়সরা। আর অধিনায়ক হিসেবে প্রথম সিরিজ জয়ের স্বাদ পেলেন তিনি।
গম্ভীর বদলে জিম্বাবোয়েতে ভারতীয় দলের কোচিং সামলাচ্ছেন ভিভিএস লক্ষ্মণ। নতুনরা যেমন সুযোগ পাচ্ছেন, তেমনই অতি পরীক্ষানিরীক্ষাও করছেন না। এদিন হারারেতে শুধু অশোক শর্মার বদলে অভিষেক হল যশ ঠাকুরের। টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবোয়ে অধিনায়ক সিকান্দর রাজা। তবে এদিন আর বৈভবের ব্যাটে বিস্ফোরণ দেখা যায়নি। ৯ বলে ২০ করে আউট হয় সে। অভিষেক শর্মাও (৮) রান পাননি। শ্রেয়স আইয়ার (২৫) ভালো শুরু করেও বেশিদূর ইনিংস নিয়ে যেতে পারেননি। তবে ঈশান কিষান তো আছেন। গত এক বছরে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তাঁর থেকে বেশি রান কেউই করতে পারেননি। সেই ফর্ম অব্যাহত রইল জিম্বাবোয়েতেও। ৪৪ বলে ৮১ রান করে যান তিনি। ব্যাট থেকে আসে ৯টা চার, ২টো ছক্কা। জিম্বাবোয়ে বোলারদের এমন শক্তি নেই যে তাঁরা ঈশানদের থামাবেন। অন্যদিকে তাণ্ডব চালান তিলক বর্মা। ২৯ বলে ৬০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে যান তিনি। মারেন ৫টি চার ও তিনটে ছক্কা। শেষমেশ ৫ উইকেট হারিয়ে ২১৯ রান তোলে ভারত।
ভারতের বোলিং তরুণ-অনভিজ্ঞ হলেও জিম্বাবোয়ের পক্ষে যথেষ্ট শক্তিশালী। শুরুর দিকে ব্রায়ান বেনেট কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন। ১৯ বলে ৩২ রান করেন তিনি। তারপর শুধু যাওয়া-আসা। জিম্বাবোয়ের ইনিংস গুটিয়ে যায় মাত্র ১২৯ রানে। যশ ঠাকুর ও প্রিন্স যাদব ২টো করে উইকেট তোলেন। অধিনায়ক সিকন্দর রাজা খাতা খুলতে পারেননি। ওয়েসলি মাধেভেরে ২৪ রান করেন। শেষের দিকে এসে অভিষেক শর্মাও হাত ঘুরিয়ে ৩টে উইকেট তোলেন। ভারত ম্যাচ জেতে ৯০ রানের বিরাট ব্যবধানে। তিন ম্যাচের সিরিজের দু'টিতে জিতে সিরিজ পকেটে ভরল টিম ইন্ডিয়া। ইংল্যান্ড-আয়ারল্যান্ডে হারের জ্বালা মিটবে না হয়তো। তবে কিছুটা স্বস্তি পাবেন শ্রেয়সরা।
