ভারত ৩৫২-৮ (বিহান মালহোত্রা ১০৯, অভিজ্ঞান কুণ্ডু ৬১)
জিম্বাবোয়ে ১৪৮ (লিরয় ৬২, ব্লিংনাউট ৩৭, উধম মহান ৩-২০, আয়ুশ মাত্রে ৩-১৪)
ভারত ২০৪ রানে জয়ী।
আইসিসি যুব বিশ্বকাপে ভারতের দাপট অব্যাহত। এবার সুপার সিক্সের একপেশে লড়াইয়ে দুর্বল জিম্বাবোয়েকে স্রেফ উড়িয়ে দিল বৈভব সূর্যবংশীরা। বিহান মালহোত্রা, অভিজ্ঞান কুণ্ডুদের দাপটে টিম ইন্ডিয়া জিতল ২০৪ রানে।
এমনিতে জনপ্রিয়তার নিরিখে এই যুব ভারতীয় দলে সবচেয়ে এগিয়ে বৈভব সূর্যবংশী। পারফরম্যান্সও মন্দ নয় তার। তবে মঙ্গলবার তাকে ছাপিয়ে গেলেন আরসিবির তারকা বিহান মালহোত্রা। এদিন শুরুটা ভালোই করেছিল বৈভব। ওপেন করতে নেমে ৩০ বলে ৫২ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলে সে। তার দেওয়া সেই মঞ্চকেই কাজে লাগান বিহান মালহোত্রা ও অভিজ্ঞান কুণ্ডু। ৬২ বলে ৬১ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলে বাঙালি অভিজ্ঞান আউট হলেও বিহান ১০৭ বলে ১০৯ রান করেন তিনি। বিহান-অভিজ্ঞানদের দাপটে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩৫২ রান তোলে টিম ইন্ডিয়া। একটা সময় মনে হচ্ছিল ৪০০ রানের দিকে এগোবে ভারতীয় যুব দল। মাঝের দিকে খানিকটা স্লো ব্যাটিং না হলে, সেটাও হয়তো সম্ভব হত।
বিহানের এদিনের ঝকঝকে ইনিংসে খুশি হবে আরসিবি সমর্থকরাও। কারণ আগামী আইপিএলে আরসিবির জার্সিই গায়ে চাপাবেন বিহান। এবারই তাঁকে ৩০ লক্ষ টাকায় কিনেছে বিরাট কোহলির ফ্র্যাঞ্চাইজি। কাকতালীয় বিষয় হল, বিরাট নিজেও টি-২০ বিশ্বকাপ থেকেই শিরোনামে আসেন। সেখান থেকেই সোজা আরসিবিতে ডাক পান। একই পথে হাঁটছেন বিহানও।
৩৫৬ রানের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেলতে নেমে জিম্বাবোয়েকে দেখে কোনওসময়ই মনে হয়নি যে তারা এই রানের ধারেকাছে যেতে পারে। শুরু থেকেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তারা। শেষপর্যন্ত মাত্র ৩৭ ওভার ৪ বলে ১৪৮ রানে অলআউট হয়ে যায় জিম্বাবোয়ে। সর্বাধিক লিরয় করেন ৬২ রান। ভারতের হয়ে তিনটি করে উইকেট পান অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রে ও উধম মহান। এই জয়ের ফলে ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে ভারতীয় যুব দল।
