shono
Advertisement
Women's Cricket World Cup 2025

ফাইনালের মঞ্চে শেফালির তাণ্ডব, শেষবেলায় ঝড় রিচার, বিশ্বজয়ের জন্য যথেষ্ট রান তুলল ভারত?

স্পিন বোলিং ও জনগর্জনের অস্ত্রে কি প্রথম বিশ্বকাপ আসবে?
Published By: Arpan DasPosted: 08:23 PM Nov 02, 2025Updated: 11:14 PM Nov 02, 2025

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোটা দেশের রং আজ একটাই- নীল। নবি মুম্বইয়ের ডি ওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে যে বৃষ্টিটা হল, তা যেন ভারতজুড়ে ছড়িয়ে পড়ল। সেটাই নীল রংয়ে ধুয়ে দিল ভারতকে। কারণ, বিশ্বজয়ের লড়াইয়ে নেমেছে ভারতের মেয়েরা। হরমনপ্রীত কৌর, স্মৃতি মন্ধানা, রিচা ঘোষদের জন্য দেশের প্রতিটা কোনায় গর্জন। অধরা স্বপ্নপূরণ করার লক্ষ্য ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ভারত করল ২৯৮ রান। এবার দেখার দক্ষিণ আফ্রিকাকে আটকে দিতে পারে কি না 'উইমেন ইন ব্লু'।

Advertisement

টসের সময় যখন ভারত অধিনায়ক এগিয়ে এলেন তখন স্টেডিয়ামে প্রবল জনগর্জন। বছর দুয়েক আগে এই নভেম্বরে, আহমেদাবাদে রোহিত শর্মাদের জন্য এরকমই জনসমর্থন ছিল। স্টেডিয়াম ছিল ভিন্ন, কিন্তু আবেগ ছিল এক। সেমিফাইনালে অবিশ্বাস্য জয়ের পর তো স্বপ্ন দেখা আরও বেড়েছে। ফাইনালে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে যায় ভারত। বৃষ্টিভেজা মুম্বইয়ে ধীর লয়ে ইনিংস শুরু করেছিলেন স্মৃতি মন্ধানা ও শেফালি বর্মারা। তবে নিয়মিত রান রোটেট করছিলেন। পিচে খুব বিপজ্জনক কিছু নেই। কিছুক্ষণের মধ্যে রানের গতিও বাড়ান দুজনে। ১৮ ওভারের মধ্যে ১০০ রানের পার্টনারশিপও গড়ে ফেলেন।

তারপরই ধাক্কা। ক্লোয়ি ট্রায়নের বলে উইকেটকিপারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন স্মৃতি। তখন তিনি হাফসেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৫ রান দূরে। যদিও জেমাইমার সঙ্গে জুটিতে ভারতের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান শেফালি। মাঝে ক্যাচ পড়ে জীবনদানও পেয়েছেন। কিন্তু ৭৮ বলে ৮৭ রানের যে ইনিংসটা ‘হরিয়ানা কি ছোড়ি’ খেলে গেলেন, সেটা রীতিমতো বাঁধিয়ে রাখার মতো ঝকঝকে। বহু বছর স্মৃতিতে ধরে রাখার মতো স্মরণীয়। কে বলবে, এই শেফালিই গত ৩ বছরে ওয়ানডে-তে একটাও হাফসেঞ্চুরি পাননি! আরও আশ্চর্যের বিশ্বকাপের প্রাথমিক দলেই ছিলেন না শেফালি। প্রতীকা রাওয়াল চোট পাওয়ায় আচমকা বিশ্বকাপের দরজা খুলে যায়। হাফসেঞ্চুরির পর হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়ায় চার-ছক্কার দিকেই ঝুঁকলেন। তবে সেঞ্চুরি পেলেন না সেটাই দুঃখের।

ভারতের ১৬৬ রানের মাথায় শেফালি আউট হওয়ার পর ফিরলেন জেমাইমাও। সেমিফাইনালের 'মহানায়িকা' এদিন ফিরলেন ২৪ রানে। ব্যর্থ হলেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত (২০)। আচমকাই রানের গতি কিছুটা কমে যাওয়ায়। কিন্তু অলরাউন্ডার দীপ্তি শর্মা মাটি কামড়ে পড়ে থাকেন। আমনজ্যোত (১২) আউট হওয়ার পর জুটি বাঁধলেন রিচা ঘোষের সঙ্গে। হাফসেঞ্চুরি করলেন দীপ্তি। আর রিচার ব্যাটে ঝড় ছাড়া কি ভারতের ইনিংস শেষ হয়? এদিন ২৪ বলে করলেন ৩৪ রান। ৭ নম্বরে নেমে ভারতকে পৌঁছে দিলেন ২৯৮ রানে। মারলেন ৩টি চার ও ২টি ছয়। দীপ্তি শর্মা আরেকটু ঝুঁকি নিলে হয়তো রানটা নিশ্চিত ভাবেই আরও বাড়ত। সেট হয়ে যাওয়ার পরও কেন রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করলেন না সেটাই আশ্চর্যের। 

টসে জিতে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক লরা উলভার্ট বলেছিলেন, এই পিচে রান তাড়া করা সহজ। সেক্ষেত্রে এই রানটা কি যথেষ্ট হবে? নাকি আরও অন্তত ২৫-৩০ রান দরকার ছিল? ভারতের অস্ত্র হবে স্পিন বোলিং ও জনগর্জন। দুটো দিয়ে কি প্রথম বিশ্বকাপ আসবে?

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement