নিউজিল্যান্ডের কাছে রাজকোটে ওয়ানডে হার কিছুটা হলেও চাপে ফেলে দিয়েছে ভারতীয় টিমকে। ইন্দোরে সিরিজের শেষ ম্যাচ। দু'টো দলের কাছেই ম্যাচটা জীবন-মৃত্যুর। যারা জিতবে, সিরিজ তাদের। এই পরিস্থিতিতে গৌতম গম্ভীরকে সবচেয়ে বেশি চিন্তায় রাখছে বোলিং। রাজকোটে ভারতীয় বোলিংকে বেশ নির্বিষ দেখিয়েছে। ভারতের চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে ডারেল মিচেলের ফর্ম।
২০২৩ বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে দু'টো সেঞ্চুরি করেছিলেন। রাজকোটেও সেঞ্চুরি করে ম্যাচ জেতান মিচেল। সবচেয়ে বড় কথা ভারতীয় স্পিনারদের যেভাবে পাল্টা আক্রমণ করেন মিচেল, সেটা মাথাব্যথার বড় কারণ। মিচেলকে কীভাবে আটকানো যায়, সেটা নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছে ভারতীয় ‘থিঙ্ক ট্যাঙ্ক’।
তড়িঘড়ি করে স্পিনারদের নিয়ে আলাদা করে বৈঠক হয়েছে বলে শোনা গেল। ওয়াশিংটন সুন্দরের চোট পেয়ে সিরিজের বাইরে চলে যাওয়া ভারতীয় টিমের কাছে বড় ক্ষতির। ওয়াশিংটনের জায়গায় রাজকোটে নীতীশ রেড্ডিকে খেলানো হয়। কিন্তু তাঁকে দু’ওভারের বেশি বোলিং করানো হয়নি। বিকল্প হিসাবে আয়ুষ বাদোনি রয়েছেন। যিনি অফস্পিন করে দিতে পারবেন। ইন্দোরে তাঁর খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট রেড্ডিকে একটা ম্যাচ সুযোগ দেওয়ার পরই বসিয়ে দেবে কি না, সেটা এখনও বলা যাচ্ছে না।
রাজকোটের মতো ইন্দোরেও পাটা ব্যাটিং উইকেট হয়। যার অর্থ ব্যাটাররা অনেক বেশি সুবিধে পাবেন। এই ম্যাচে টিম কম্বিনেশনে হয়তো একটু বদল আসতে পারে। অর্শদীপ সিংকে প্রথম দু'টো ম্যাচে বাইরে রাখা নিয়ে গম্ভীরের সমালোচনা হয়েছে। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ খুব একটা খারাপ বোলিং করেননি ঠিকই। কিন্তু নিউজিল্যান্ড ব্যাটারদের উপর সেভাবে চাপ তৈরি করতে পারেননি। তাই ম্যাচে অর্শদীপকে খেলানোর চিন্তা-ভাবনা চলছে।
তবে ইন্দোরে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের যুদ্ধে ভারতের দুই বড় ভরসার নাম বিরাট কোহলি আর রোহিত শর্মা। বিরাট প্রথম ম্যাচে বড় রান পেয়েছিলেন। রোহিত অবশ্য দু'টো ম্যাচে শুরুটা ভালো করেও আউট হয়ে গিয়েছেন। ‘রো-কো’ ফর্মে থাকলে ভারতের সিরিজ জয়ের কাজটা নিশ্চিত সহজ হয়ে যাবে।
