বিরাট কোহলি, রোহিত শর্ম টেস্ট থেকে অবসর নিয়েছেন। রবিচন্দ্রন অশ্বিনও তাই। ভবিষ্যতে টেস্ট টিমের কথা ভেবে ক্রিকেটারদের 'পাইপলাইন' ঠিক রাখার চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।
দিন কয়েক আগে এনসিএ প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণ ভারতীয় বোর্ড কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। যেখানে প্রেসিডেন্ট মিঠুন মানহাস, সচিব দেবজিৎ সইকিয়ারা ছিলেন। ওই বৈঠকেই ভিভিএস অনূর্ধ্ব উনিশ পর্যায়ে টেস্ট ম্যাচ বাড়ানোর প্রস্তাব দেন। ভারতীয় অনূর্ধ্ব উনিশ টিম এখন বিশ্বকাপ খেলছে। ভারতীয় বোর্ডে খবর নিয়ে জানা গেল, ভিভিএস বলেন অনুর্ধ্ব উনিশ পর্যায়ে সাদা বলের ক্রিকেটে অনেক বেশি ফোকাস করা হচ্ছে। বিশ্বকাপ দু'বছর অন্তর-অন্তর হয়। ফলে সাদা বলে অবশ্যই ফোকাস করতে হবে। তবে একইসঙ্গে যাতে টেস্ট ম্যাচ সংখ্যা বাড়ানো হয়, তার প্রস্তাব দেন ভিভিএস।
অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে ভারতীয় ক্রিকেটাররা খুব বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পান না। ভিভিএস ঠিক সেই কথাই বলেন। ভারতীয় প্রাক্তন তারকা তথা এনসিএ প্রধানের বক্তব্য ভবিষ্যতে যাতে ভারতীয় টেস্ট টিমের সাপ্লাইলাইন ঠিক থাকে, সেই ব্যাপারটা মাথায় রাখতে হবে। অনূর্ধ্ব-উনিশ পর্যায়ে যদি ক্রিকেটারদের আরও বেশি করে টেস্ট খেলার সুযোগ দেওয়া হয়, তাহলে ডে'জ ফরম্যাটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে খুব একটা সমস্যায় পড়তে হবে না ক্রিকেটারদের। ওই বৈঠকে ঠিক হয়, ভবিষ্যতের কথা ভেবেই অনূর্ধ্ব-১৯ টিমের টেস্ট সংখ্যা বাড়ানো হবে। সাদা বলে যেমন নিয়মিত সিরিজ হয়। তেমনই আরও বেশি টেস্ট সিরিজের আয়োজন হবে। আপাতত যা ঠিক হয়েছে, টিম বিশ্বকাপ খেলে ফিরে আসার পর কিছুদিন বিশ্রাম দেওয়া হবে। তারপর বেঙ্গালুরু সেন্টার অব এক্সেলেন্সের মাঠে নিজেদের মধ্যে ইনন্ট্রা স্কোয়াড ম্যাচ খেলানো হবে। শোনা গেল, সেখানে খুব সম্ভবত চারটে টিম করা হবে। যারা নিজেদের মধ্যে চারদিনের ম্যাচ খেলবে। সেখান থেকেই অনূর্ধ্ব-১৯ ভারতীয় টেস্ট টিম নির্বাচন করা হবে।
টেস্ট সিরিজগুলো মূলত বিদেশে আয়োজন করা হবে। ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কার মতো দেশগুলোতে। যাতে এই পর্যায় থেকেই ক্রিকেটাররা বিদেশের পরিবেশে লাল-বলের ক্রিকেটের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেন। যাতে পরে তাঁদের কোনও সমস্যায় না পড়তে হয়। একইসঙ্গে আরও একটা ব্যাপার নিয়ে ভাবনা চিন্তা চলছে। তা হল, ঘরোয়া ক্রিকেটেও অনুর্ধ্ব-১৯ লাল বলের টুর্নামেন্টে ম্যাচ সংখ্যা বাড়ানোর।
