ভারত: ১৯২/২ (বৈভব ৮১, ঈশান ২৯, ইভান্স ৪১/২)
জিম্বাবোয়ে: ১৫৭/৭ (বার্ল ৫৪*, ওয়েসলি মাধেভেরে ২৮, ময়ঙ্ক ২৯/৩)
৩৫ রানে জয়ী ভারত।
তিন ম্যাচের তিনটিতেই জিতে জিম্বাবোয়েকে হোয়াইটওয়াশ করল ভারত। অধিনায়ক হিসাবে শ্রেয়স আইয়ারের শুরুটা ভালো ছিল না। টানা দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশের পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানও হারিয়েছিল ভারত। তবে সেই খারাপ সময় কাটিয়ে জিম্বাবোয়ের বিপক্ষে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে দল। টানা দু'ম্যাচে জিতে সিরিজ আগেই নিশ্চিত করার পাশাপাশি শীর্ষস্থান ফিরে পায় টিম ইন্ডিয়া। এবার শেষ ম্যাচটি ৩৫ রানে জিতে দুর্দান্তভাবে সফর শেষ করল ভারত। গৌতম গম্ভীরের কোচিংয়ে দুই সিরিজের ব্যর্থতা কাটিয়ে ভিভিএস লক্ষ্মণের কোচিংয়ে 'ডেডলক' ভাঙলেন শ্রেয়সরা।
এই সিরিজে ব্যাট হাতে বৈভব সূর্যবংশীর পাশাপাশি ঈশান কিষানও নজর কেড়েছেন। বল হাতে মুগ্ধ করেছেন ২১ মাস তরুণ পেসার মায়াঙ্ক যাদব। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরে রীতিমতো আগুন ছুটিয়েছেন। প্রথম ম্যাচের মতো সিরিজের তৃতীয় ম্যাচেও ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট তুলে নেন তিনি। ১৯৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে জিম্বাবোয়ের ওপেনার ব্রায়ান বেনেটকে প্রথম বলেই ফেরান মায়াঙ্ক। প্রায় ১৪৭ কিলোমিটার গতির অতিরিক্ত বাউন্স করা বল ব্যাটের কানায় লেগে স্লিপে দাঁড়ানো বৈভবের হাতে ধরা পড়ে। এর ফলে একই সিরিজে দ্বিতীয়বার ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব গড়েন ময়ঙ্ক।
জিম্বাবোয়ের প্রথম চার ব্যাটারের কেউই রান করতে পারেননি। পাওয়ার প্লে-র মধ্যেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তারা। পরে রায়ান বার্ল ৫৪ রানের লড়াকু ইনিংস খেললেও দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারেননি। ভারতের হয়ে মায়াঙ্ক ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। যশ ঠাকুর ২ উইকেট। অশোক শর্মা ও রবি বিষ্ণোই নেন ১টি করে উইকেট। যদিও পাওয়ার প্লে-তেই জিম্বাবোয়েকে বড় ধাক্কা দিয়েছিল ভারত, তবু শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষকে অলআউট করতে পারেননি ভারতীয় বোলাররা।
টানা দু’ম্যাচ জিতে সিরিজ আগেই পকেটে পুরে নিয়েছিল ভারত। তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ছিল কার্যত নিয়মরক্ষার। সেই ম্যাচে টসে জিতে প্রথম ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিলেন ভারত অধিনায়ক। বৈভব ঝড় তুলে করে ৪৯ বলে ৮১ রানে ফিরল সে। ঈশান ও শ্রেয়স সেট হয়ে আউট হলেন। তাঁদের সংগ্রহ যথাক্রমে ২৯ ও ২৭। শেষের দিকে ১৪ বলের ২৫ রানের ক্যামিও খেললেন রিঙ্কু সিং। ১১ রানে অপরাজিত থাকলেন তিলক বর্মা। ভারত তোলে ৫ উইকেটে ১৯২ রান তুলল শ্রেয়স আইয়ারের টিম ইন্ডিয়া। জবাবে ৭ উইকেটে ১৫৭ রানের বেশি করতে পারেনি জিম্বাবোয়ে। সিরিজের সেরার পুরস্কার বৈভবের। সঙ্গে ম্যাচের সেরাও সে।
