সাংবাদিক সম্মেলনে বেশ তৃপ্ত দেখাচ্ছিল ফিনলে হিউ অ্যালেনকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইডেন দেখেছিল অ্যালেনের তাণ্ডব। শনিবারের ইডেন সেটা আবারও দেখল। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে জিতে খাতায়-কলমে কেকেআর প্লে-অফের আশা জিইয়ে রাখল। এই জয়ের নায়ক একজনই। ফিনলে হিউ অ্যালেন।
আইপিএলের (IPL 2026) শুরুর দিকে একদমই রান পাচ্ছিলেন না অ্যালেন। যার ফলে কয়েকটা ম্যাচ তাঁকে মাঠের বাইরেও থাকতে হয়। কিন্তু টুর্নামেন্টের বিজনেস এন্ডে এসে দুরন্ত ছন্দে নিউজিল্যান্ডের এই ওপেনার। গুজরাটের বিরুদ্ধে অবশ্য প্রথম বল থেকেই মারমার কাটকাট ব্যাটিং করেননি। পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজের গেমপ্ল্যান বদলে ফেলেন। বলছিলেন, "দেখুন এদিন শুরুতে যেরকম উইকেট ছিল, সেখানে একটু দেখেশুনে নিতেই হত। ঠিক করে নিয়েছিলাম মারার বল পেলে হিট করব। না হলে স্ট্রাইক রোটেট করতে হবে। অযথা ঝুঁকি নিয়ে নিজের উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে যাব না। বিশেষ করে জিঙ্কস (অজিঙ্ক রাহানে) আউট হওয়ার পর আমাকে বাড়তি দায়িত্ব নিতেই হত। যতটা ফ্ল্যাট উইকেট হবে ভেবেছিলাম, পিচ ততটা সহজ ছিল না। তবে দিনের শেষে ভালো ক্রিকেটের পুরস্কার পেলাম আমরা।"
কেকেআর শিবিরে হয়তো এখন সামান্য হাহুতাশ চলবে। ইডেনে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে জেতা ম্যাচ হাতছাড়া হয়েছে। সেটা হলে হয়তো প্লে-অফের আশা আরও জোরালো হত। যদিও খাতায়-কলমে আশা এখনও বেঁচে। অ্যালেনরা অতশত ভাবতে চাইছেন না। তাঁদের লক্ষ্য একটাই। বাকি দু'টো ম্যাচ জেতা। বলছিলেন, "এখন দু'টো ম্যাচ জিততে হবে। এর বেশি কিছু ভাবছি না। ম্যাচ বাই ম্যাচ এগোব।" তবে অ্যালেন স্বীকার করে নিয়েছেন, শুরুর দিকে একটু বেশি চাপ নিয়ে ফেলেছিলেন। বলছিলেন, "সত্যি বলতে কী, টুর্নামেন্টের শুরুর দিকে বেশি চাপ নিয়ে ফেলেছিলাম। সেটা পরে বুঝতে পারি। তারপর চেষ্টা করছি চাপমুক্ত হয়ে খেলার।" এদিন অভিষেক ম্যাচেই ফের চোট পেলেন মাথিশা পাথিরানা। তবে তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি অ্যালেন।
