আইপিএলে ফের মোবাইল বিতর্ক। এবার কাঠগড়ায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। রবিবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচ চলাকালীন লখনউয়ের এক সাপোর্ট স্টাফকে মোবাইল ব্যবহার করতে দেখা যায়। তারপরই বিতর্কের সূত্রপাত। কারণ, ম্যাচের সময় দলের সদস্যদের মোবাইল ব্যবহারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এর আগে একই বিতর্কে জর্জরিত হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। এবার লখনউয়ের পালা।
ঠিক কী ঘটেছে? চিপকে ম্যাচ চলার সময় দেখা যায়, লখনউয়ের জার্সি পরা এক ব্যক্তি ফোনে কথা বলছেন। কানে তিনি ফোন নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ম্যাচ চলাকালীন অনেকেরই তা নজরে পড়ে। ওই মুহূর্তের ছবি সোশাল মিডিয়ায় দিয়ে নেটিজেনরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন, কীভাবে তিনি ফোন ব্যবহার করতে পারেন। ওটা যে মোবাইল, তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। কারণ অন্য কোনও যন্ত্র ওভাবে কানে ধরা থাকে না। তবে অনেকের মতে, ওই ব্যক্তি ডাগআউটে বসে ছিলেন না। যদিও কোথায় বসে ছিলেন, তা স্পষ্ট করে জানা যায়নি।
ম্যাচের সময় দলের কোনও সদস্য ফোন ব্যবহার করতে পারেন না। ম্যাচ ফিক্সিং ঠেকাতেই এই নিয়ম। কিছুদিন আগে রাজস্থান রয়্যালসের ম্যানেজার রোমি ভিন্ডে ম্যাচ চলাকালীন মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। সেই সময় ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশীও তাঁর পাশে বসে ফোনে উঁকি দিচ্ছিল। কিন্তু রাজস্থান রয়্যালসের জবাব ছিল, ভিন্ডের শারীরিক সমস্যার কারণে ফোন নিয়ে ডাগআউটে গিয়েছিলেন। সিঁড়ি ভেঙে বারবার ওঠানামা করাটা তাঁর পক্ষে কঠিন। কিন্তু সেক্ষেত্রে রোমির খুব বেশি জরিমানা করা হয়নি।
তবে আইপিএলের বেশ কিছু বিতর্কিত ঘটনার জেরে কড়া অবস্থান নিচ্ছে বিসিসিআই। ইতিমধ্যে দলগুলোকে নির্দেশিকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বোর্ড সচিব দেবজিৎ সইকিয়া বলেন, "যেসব দল নিয়ম ভাঙছে, তাদের কীভাবে শাস্তি দেওয়া যায় তা নিয়ে আলোচনা চলছে। নিয়ম ভাঙলে ছাড় পাবে না কোনও দল। আমরা নিশ্চিতভাবেই ব্যবস্থা নেব।" এবার দেখার লখনউ সাপোর্ট স্টাফের বিরুদ্ধে বিসিসিআই কী ব্যবস্থা নেয়।
