রাজস্থান: ১৫০-৩ (যশস্বী ৭৭, বৈভব ৩৯)
মুম্বই: ১২৩-৯ (ধীর ২৫, রাদারফোর্ড ২৫)
রাজস্থান ২৭ রানে জয়ী।
ম্যাচের নির্ধারিত সময়ে অঝোরে বৃষ্টি। প্রায় ৩ ঘণ্টা অপেক্ষার পর শুরু হল খেলা। কিন্তু সেই দীর্ঘ অপেক্ষা বিফলে গেল না গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামের কয়েক হাজার দর্শকের জন্য। আকাশে মেঘ যে-ই কাটল তেমনি মাঠে শুরু হল রানের বর্ষণ। বেপরোয়া ব্যাটিং বিক্রমের ম্যাচে শেষ হাসি হাসল রাজস্থান রয়্যালস। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের ২৭ রানে হারাল তারা।
বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে এদিন প্রত্যাশিতভাবেই টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে বৈভব সূর্যবংশী এবং যশস্বী জয়সওয়াল যে এ হেন তাণ্ডব শুরু করবেন, সে ধারণা বোধহয় ছিল না মুম্বই অধিনায়ক হার্দিকের। দুই ওপেনার মাত্র ১৬ বলেই রাজস্থানকে পৌঁছে দিলেন ৫০ রানে।
প্রথম ওভারে বোল্ট দিয়ে যান ২২ রান। বুমরাহকে তাঁর প্রথম ওভারেই জোড়া ছক্কা হাঁকায় বৈভব সূর্যবংশী। তবে ছক্কা হাঁকানোর কমতি ছিল না অন্য বোলারদের বিরুদ্ধেও। মাত্র ১৪ বলে ৫ ছক্কা হাঁকিয়ে ৩৯ রান করে সে। আরেক ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল অবশ্য আরও ভয়ংকর ইনিংস খেলেছেন। মাত্র ৩২ বলে ৭৭ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেছেন তিনি। দুই ওপেনারের বিস্ফোরক ইনিংসেই রাজস্থান নির্ধারিত ১১ ওভারে ১৫০ রান তুলল।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই খেই হারিয়ে ফেলল মুম্বই। প্রথম ওভারেই আউট হলেন রিকলটন। বিশেষ কিছু করতে পারলেন না সূর্য-রোহিতরাও। আসলে বিশাল রানের চাপে খানিক নুইয়ে পড়ল মুম্বই টপ অর্ডার। রানের গতি বজায় রাখতে গিয়ে একটা সময় মাত্র ৪৬ রানে ৫ উইকেট খুইয়ে প্রবল চাপে পড়ে মুম্বই। সেখান থেকে রাদারফোর্ড এবং নমন ধীর জুটি বেঁধে খানিকটা ম্যাচে ফেরান মুম্বইকে। যদিও দুজনের কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। দু'জনেই আউট হন ২৫ রান করে। ওই জুটির পতনের সঙ্গে সঙ্গেই মুম্বইয়ের যাবতীয় আশাও শেষ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত শার্দূল ঠাকুররা তোলেন ১২৩ রান। রাজস্থান জেতে ২৭ রানে।
