আইপিএলের (IPL 2026) উনিশতম সংস্করণের দ্বিতীয় ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে নামছে কেকেআর (MI vs KKR)। ঢাল-তলোয়ারে সুসজ্জিত মুম্বই এই মরশুমেও খেতাব জয়ের অন্যতম দাবিদার। অন্যদিকে চোট আঘাতে জর্জরিত নাইটরা খানিকটা পিছিয়ে থেকেই শুরু করবে। তবে দুই দলেই এমন একাধিক তারকা রয়েছেন, যারা একার ক্যারিশ্মায় ম্যাচ মোড় ঘোরাতে পারেন। মিরাক্যাল ঘটিয়ে দলের জয় ছিনিয়ে আনতে পারেন।
রবিবারের মেগা ম্যাচে তেমনই মিরাক্যালের আশায় থাকবেন কেকেআর অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানে। সেই মিরক্যাল তাঁর জন্য যারা করতে পারেন, তাঁরা হলেন সুনীল নারিন এবং বরুণ চক্রবর্তী। কেকেআরের দুই রহস্য স্পিনার। আগের মতো রহস্য তাঁদের হাতে না থাকলেও দুই স্পিনারকে এখনও ভালোই সমীহ করে ক্রিকেট বিশ্ব। মজার কথা হল রবিবারের ম্যাচে দু'জনের কাছেই অনবদ্য রেকর্ড গড়ার হাতছানি থাকবে। বরুণ চক্রবর্তী যেমন ৩ উইকেট পেলেই টি-টোয়েন্টিতে ২০০ উইকেট ছুঁয়ে ফেলবেন। আর সুনীল নারিনের ক্ষেত্রে আইপিএলে দুশো উইকেটের হাতছানি। সেটার জন্য ৮ উইকেট দরকার। সেটা অবশ্য রবিবার হওয়ার সম্ভাবনা বিশেষ নেই। অধিনায়ক রাহানেও অবশ্য রবিবার নজিরের সামনে। ৪টি ছক্কা মারলেই তিনি টি-২০ ক্রিকেটে ২০০ ছক্কার মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলবেন।
রেকর্ডের হাতছানি যে শুধু নাইটদের সামনেই রয়েছে তেমন নয়। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়াও আর মাত্র দুটি ছক্কা হাঁকালে আইপিএলে ২০০ ছক্কার রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলবেন। টি-২০ ক্রিকেটে ৩৫০ উইকেট ছুঁতে বুমরাহর প্রয়োজন আর পাঁচটি উইকেট। নাইটরা চাইবে দুই রেকর্ডের কোনওটিই যেন অন্তত রবিবার পূরণ না হয়।
আসলে সার্বিকভাবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে এবং ওয়াংখেড়েতে নাইটদের রেকর্ড একেবারেই ভালো নয়। এ পর্যন্ত দুই দল মুখোমুখি হয়েছে ৩৫ বার। এর মধ্যে ২৪ ম্যাচ জিতেছে মুম্বই। কেকেআরের ঝুলিতে মাত্র ১১ ম্যাচ। দুই শিবিরের লড়াইয়ে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন রোহিত শর্মা (৯৬৭)। আজ তাঁর সামনে দুই দলের লড়াইয়ে হাজার রান ছুঁয়ে ফেলার হাতছানি। অন্যদিকে দুই দলের লড়াইয়ে সবচেয়ে বেশি উইকেট পেয়েছেন সুনীল নারিন (২৬)। তিনিও আজ খেলছেন। ওয়াংখেড়েতেও মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে মুম্বই-ই। মোট ১২ ম্যাচের ১০টিই জিতেছে মুম্বই। নাইটরা জিতেছে মোটে দুটি। এবার সেই রেকর্ড বদলের লড়াই।
