মাঠে নামুন বা রিজার্ভ বেঞ্চে থাকুন-তাঁকে মুম্বই চা রাজা বলেই চেনে ক্রিকেটমহল। সেই রোহিত শর্মা এদিন ফিরলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জার্সিতে। পাঁচ ম্যাচ পরে ফিরে বুঝিয়ে দিলেন, কেন মুম্বইয়ের হৃদয়ে তিনিই রাজা। এদিন মাত্র ৪৪ বলে ৮৪ রান করলেন রোহিত। ভিন্টেজ হিটম্যানের ঝলকও দেখল ক্রিকেটদুনিয়া। ওই একটা ইনিংসেই প্রাণ ফিরল মুম্বইয়ের প্লে অফ স্বপ্নে। এখনও টিমটিম করে বেঁচে আছে আইপিএল প্লে অফের আশা।
হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যায় প্রায় তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে ছিলেন রোহিত শর্মা। পুরো ফিট হয়ে প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্যে পরিশ্রম চালিয়ে গিয়েছিলেন ‘হিটম্যান’। রবিবার ঐচ্ছিক প্র্যাকটিস সেশন রেখেছিল মুম্বই ম্যানেজমেন্ট। কেউই হাজির হননি নেটে। ব্যাতিক্রম রোহিত। মুম্বই হেড কোচ মাহেলা জয়বর্ধনেকে সঙ্গী করে এদিন দুপুরের পর ওয়াংখেড়েতে আসেন দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। সেই পরিশ্রমের ফল এদিন হাতেনাতে পেলেন পাঁচবার আইপিএলজয়ী অধিনায়ক। তবে আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে গিয়ে নিশ্চিত সেঞ্চুরি মাঠে ফেলে এলেন রোহিত।
অসুস্থতার কারণে এদিনের ম্যাচে খেলতে পারেননি মুম্বই অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়া। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে দলকে নেতৃত্ব দেন সূর্যকুমার যাদব। প্রথমে ব্যাট করে ২২৮ রান তোলে লখনউ। মাত্র ২১ বলে ৬৩ রান করেন নিকোলাস পুরান। এছাড়া ৪৪ রান আসে মিচেল মার্শের ব্যাট থেকে। লোয়ার অর্ডারে হিম্মত সিংও ৪০ রান করেন। তবে এদিনও ব্যর্থ লখনউ অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ১০ বল খেলে ১৫ রান করেন তিনি। এদিন ৪ ওভারে ৪৫ রান দিলেও তিন উইকেট তুলে নিয়েছেন জশপ্রীত বুমরাহ।
২২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এদিন ওয়াংখেড়েতে রোহিত শো। ৬টি বাউন্ডারি, সাতটি ওভার বাউন্ডারিতে ইনিংস সাজান হিটম্যান। ওপেনিংয়ে রোহিতের সঙ্গী রায়ান রিকেলটনও এদিন ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে। মাত্র ৩২ বলে ৮৩ রান করেন তিনি। মুম্বইয়ের জয় নিশ্চিত হয়ে যায় ১৪৩ রানের ওই ওপেনিং পার্টনারশিপেই। রোহিত এবং রিকেলটন আউট হতে মুম্বইয়ের রানের গতি অবশ্য অনেকটা কমে যায়। বেশ কয়েকটা উইকেটও পড়ে। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ল মুম্বই।
