একদিকে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসের সম্ভবত সেরা বোলার। অন্যদিকে ১৫ বছরের বিস্ময় প্রতিভার বিধ্বংসী ব্যাটিং। মঙ্গলবার গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে এই মহারণ দেখতে মুখিয়ে ছিল ক্রিকেটবিশ্ব। বৃষ্টির দৌলতে সেই মহারণ খানিক বিলম্বিত হল বটে, কিন্তু দর্শকদের হতাশ হতে হল না। বুমরাহর বিরুদ্ধে প্রথম ওভারটা বৈভব যেভাবে খেলল, তাতে বলে দেওয়ায় যায় যে সে আসল পরীক্ষায় উতরে গিয়েছে।
আইপিএলে গতবারও মুখোমুখি হয়েছিল মুম্বই-রাজস্থান। ততদিনে তারকা হয়ে গিয়েছে বৈভব। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে নামার ঠিক আগের ম্যাচেই গুজরাটের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী সেঞ্চুরি করেছিল। কিন্তু মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে রানের খাতা খুলতে পারেনি। ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম ওভারেই শূন্য রানে ফেরে বৈভব। অর্থাৎ বুমরাহর সঙ্গে মোকাবিলা হয়নি। কিন্তু এবার সে বিশ্বের সেরা বোলারের শুধু যে মোকাবিলা করেছে তাই নয়, প্রথম ওভারে জোড়া ছক্কাও হাঁকিয়েছে।
বুমরাহর প্রথম বলটাই ছিল ইয়র্কর দেওয়ার চেষ্টা। সেই চেষ্টায় সফল হননি বিশ্বের অন্যতম সেরা পেসার। উলটে ফুল লেংথের বল হয়ে যায়, যা অনায়াসে মাঠের বাইরে ফেলে দেয় বৈভব। ওভারের চতুর্থ ওভারে আবারও বুমরাহকে বাগে পেয়ে যায় পনেরোর মহাতারকা। এবার স্লো শর্ট বল করেছিলেন বুমরাহ। সেটিকেও পুল করে বাউন্ডারির বাইরে ফেলল বুমরাহ। অর্থাৎ যেটাকে তাঁর আসল পরীক্ষা বলা হচ্ছিল, তাতে ভালোমতোই উতরে গেল ওই কিশোর ব্যাটার।
এরপর আর বুমরাহর মুখোমুখি হয়নি বৈভব। তবে ছক্কা হাঁকানোর কমতি ছিল না অন্য বোলারদের বিরুদ্ধেও। মাত্র ১৪ বলে ৫ ছক্কা হাঁকিয়ে ৩৯ রান করে সে। আরেক ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল অবশ্য আরও ভয়ংকর ইনিংস খেলেছেন। মাত্র ৩২ বলে ৭৭ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেছেন তিনি। দুই ওপেনারের বিস্ফোরক ইনিংসেই রাজস্থান নির্ধারিত ১১ ওভারে ১৫০ রান তুলল।
