দীর্ঘ আড়াই বছরের রাজত্বে ইতি। টেস্ট ক্রিকেটে বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান হারালেন জশপ্রীত বুমরাহ। ভারতীয় পেসারকে সরিয়ে আইসিসি-র টেস্ট বোলিং র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে উঠে এলেন অজি পেসার। এই প্রথম টেস্ট বোলারদের তালিকার শীর্ষে উঠলেন বাঁহাতি পেসার।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবার এক নম্বরে উঠেছিলেন বুমরাহ। তার পর একচেটিয়া শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিলেন। কিন্তু চলতি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শ্রীলঙ্কা সিরিজে বুমরাহ না থাকায় সুযোগটা কাজে লাগালেন মিচেল স্টার্ক। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সই তাঁকে পৌঁছে দিল শীর্ষে। ম্যাকেতে দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটিংকে কার্যত একাই ছারখার করে দিয়েছিলেন স্টার্ক। ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়ে র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাক্কায় দু'ধাপ উঠে এলেন তিনি। পিছনে ফেললেন বুমরাহ এবং নিউজিল্যান্ডের ম্যাট হেনরিকে।
৩৬ বছর বয়সে এসে এই সাফল্য নিঃসন্দেহে স্টার্কের কেরিয়ারের অন্যতম বড় মাইলফলক। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৫ বছর কাটিয়েও এত দিন এক নম্বর জায়গাটা অধরাই ছিল তাঁর। যদিও দীর্ঘ দিন ধরেই বিশ্বের সেরা দশ বোলারের মধ্যে ছিলেন তিনি। অ্যাশেজে দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সম্প্রতি তিন নম্বরেও উঠেছিলেন। নতুন তালিকায় বুমরাহ দ্বিতীয় এবং ম্যাট হেনরি তৃতীয়। অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স উঠে এসেছেন চার নম্বরে। ম্যাকেতে ৬ উইকেট নেওয়ার পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। অন্যদিকে, নেথান লায়নও দু'ধাপ উঠে দশ নম্বরে ফিরেছেন।
ইংল্যান্ডের বোলাররাও এগিয়েছেন। হেডিংলিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দাপট দেখিয়ে ১৬ উইকেট ভাগ করে নিয়েছিলেন অলি রবিনসন এবং জশ টং। তার ফল মিলেছে আইসিসি-ে ক্রমতালিকায়। ১৫ ধাপ উঠে রবিনসন এখন ১১ নম্বরে। ১৬ ধাপ এগিয়ে টং রয়েছেন ১৭ নম্বরে। ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে অবশ্য বিশেষ বদল নেই। এক নম্বরে ইংল্যান্ডের হ্যারি ব্রুক। দ্বিতীয় স্থানে তাঁর সতীর্থ জো রুট। তিন ও চার নম্বরে যথাক্রমে স্টিভ স্মিথ এবং ট্র্যাভিস হেড। তবে প্রথম দশে সবচেয়ে বড় লাফ ভারতের ঋষভ পন্থের। গলে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর পরিচিত আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ছ'ধাপ উঠে এসেছেন টিম ইন্ডিয়ার এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। তিনি এখন যুগ্মভাবে সপ্তম স্থানে। তাঁর সঙ্গে একই জায়গায় রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার মার্নাস লাবুশানে।
