ভারতের সহজ জয়ের পথে ফের কাঁটা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি। বুধবার সকালে ভারতীয় স্পিনারদের দাপটে ফলো অনের লজ্জা ভুগতে হয় শ্রীলঙ্কাকে। দ্বিতীয় ইনিংসেও যথেষ্ট চাপে লঙ্কা ব্রিগেড। শুভমান গিলরা যখন একদিন বাকি থাকতেই টেস্ট এবং সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন, তখন আবারও কাঁটা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি। নির্ধারিত সময়ের দেড় ঘণ্টা আগেই চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করে দিতে হল। আপাতত নামমাত্র লিড রয়েছে শ্রীলঙ্কার হাতে।
চতুর্থ দিনেও ম্যাচ শুরু হতে কিছুটা দেরি হয়েছে। এই টেস্টে শ্রীলঙ্কার ব্যাটারদের থেকে ভারতকে বেশি ভুগিয়েছে বৃষ্টি। যখন-তখন বৃষ্টি। তৃতীয় দিনের শেষে তো আর বলই গড়ায়নি। তখনও শ্রীলঙ্কার ফলো-অন বাঁচাতে দরকার ছিল ৩৮ রান। তবে বুধবার সকালে লঙ্কা ব্রিগেডকে দিশেহারা করে দেন প্রথম টেস্ট খেলতে নামা সারাংশ জৈন। তুলে নেন জোড়া উইকেট। শেষ পর্যন্ত ফলো-অন থেকে মাত্র ১৩ রান দূরে থামল শ্রীলঙ্কা। দ্বিতীয়বার ব্যাট করতে নেমেও যথেষ্ট বিপাকে ধনঞ্জয় ডি সিলভারা।
চতুর্থ ওভারেই আউট হয়ে যান ওপেনার লাহিরু উদারা। তারপর পাসিন্দু সুরিয়াবান্দারার সঙ্গে জুটি বেঁধে ইনিংস গড়ার চেষ্টা করেন কামিল মিশারা। হাফসেঞ্চুরি পার্টনারশিপ গড়েন দুই ব্যাটার। সেই কাজটা এগিয়ে নিয়ে যান কামিন্দু মেন্ডিস। পাসিন্দুর সঙ্গে মিলে জুটিতে একশোর বেশি রান তোলেন। তবে এই তিনজন ছাড়া লঙ্কার কোনও ব্যাটারই রান পাননি। আট রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া হয় পাসিন্দুর। কামিন্দুর ব্যাট থেকে আসে ৫৫ রান। ফলো অন সামলাতে গিয়ে আউট হয়ে গিয়েছেন ৬ ব্যাটার।
আপাতত লঙ্কা ব্রিগেডের স্কোরবোর্ডে ২২৯ রান। প্রথম ইনিংসে ২৯০ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন সোনাল দিনুশা। চতুর্থ দিনের শেষে ভারতের মাথাব্যথা বাড়িয়ে ক্রিজে টিকে রয়েছেন শতরানকারী লঙ্কা তারকা। আপাতত ১৬ রানের লিড রয়েছে শ্রীলঙ্কার, হাতে চার উইকেট। শেষ দিনে ভারতের টেস্ট জয় স্রেফ সময়ের অপেক্ষা, একথা বলাই যায়। কিন্তু সেই সময়টুকু আদৌ মিলবে তো? প্রকৃতির রোষে জয়ের আসর ভেস্তে যাবে না তো? উল্লেখ্য, এই টেস্ট জিততে না পারলে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের অঙ্ক আরও কঠিন হবে ভারতের জন্য।
