বিসিসিআইয়ের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে চাঁদের হাট। সুনীল গাভাসকর যেমন আছেন, তেমনই আছেন তরুণ তুর্কি বৈভব সূর্যবংশী। পুরুষ-মহিলার বয়সভিত্তিক পর্যায়ে চারটি দল ছিল, সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী দল। পুরস্কৃত হলেন রাহুল দ্রাবিড় থেকে মিতালি রাজ। বর্ষসেরা পুরস্কার পেলেন শুভমান গিল, স্মৃতি মন্ধানা। শুধু 'অভাব' রইল দু'জনের। তাঁরা হলেন বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী দল সংবর্ধনা পেলেও, দিল্লিতে আয়োজিত 'নমন অ্যাওয়ার্ডে এলেন না রো-কো।
আগেই জানা গিয়েছিল, বোর্ডের বর্ষসেরা ও জীবনকৃতি সম্মান কারা পাচ্ছেন। পুরুষদের মধ্যে সেরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হয়েছেন শুভমান গিল। মহিলাদের মধ্যে স্মৃতি মন্ধানা। জীবনকৃতি সম্মান পেয়েছেন রজার বিনি, রাহুল দ্রাবিড়, মিতালি রাজ। এছাড়া পুরুষদের মধ্যে সেরা অভিষেককারী হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন হর্ষিত রানা। লালা অমরনাথ পুরস্কার পেয়েছেন আয়ুষ মাত্রে। মঞ্চে ডাকা হয় পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী দল; মহিলাদের ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী দল; অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটে পুরুষ ও মহিলা বিশ্বজয়ী দল। ছিলেন ভারতীয় দলের কোচ গৌতম গম্ভীর, বোর্ড সভাপতি মিঠুন মানহাস, সচিব দেবজিৎ সইকিয়া ও আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ।
বোর্ডের বর্ষসেরা হওয়ার পর শুভমান গিলকে প্রশ্ন করা হয়, কাকে ব্যাটার হিসেবে সবচেয়ে বেশি ভরসা করেন? গিল সঙ্গে সঙ্গে বলেন, "যদি রোহিত শর্মা শেষ পর্যন্ত থাকেন, তাহলে তিনি ছাড়া আর কেউ হতেই পারেন না।" তাছাড়া বোলার হিসেবে তিনি এগিয়ে রাখেন অর্শদীপ সিংকে। তবে অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, ভারতের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী দলের অধিনায়ক ছিলেন রোহিত। তারপর নেতৃত্ব বদল হয়। অনেকের প্রশ্ন, তাহলে টি-টোয়েন্টির অধিনায়ক সূর্যকুমার ও মহিলাদের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌরের সঙ্গে গিলকে কেন একাসনে বসানো হল? অন্যদিকে স্মৃতি বলেন, "দলের সকলের সাহায্য ছাড়া ব্যক্তিগত পুরস্কার জেতার কোনও অর্থ হয় না। এই বছরটা দারুণ কেটেছে। বিসিসিআইকে ধন্যবাদ মহিলা ক্রিকেট নিয়ে ভাবার জন্য। আমরা আরও উন্নতি করব।"
এই অনুষ্ঠানে আসেননি রোহিত-কোহলি। রোহিত এই মুহূর্তে বিদেশ সফরে ব্যস্ত। অন্যদিকে কোহলি আছেন লন্ডনে। উল্লেখ্য, কোহলি গতবারও এই অনুষ্ঠানে আসেননি।
