বড়দের পথেই ছোটরা। যেভাবে হাস্যকর ভাবে পাকিস্তানের সিনিয়র দলের ক্রিকেটাররা আউট হয়েছেন, সেই ধারা বজায় রেখেছেন তরুণরাও। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও তার প্রমাণ দিল পাকিস্তানিরা। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আলি রাজা যেভাবে আউট হলেন, তা দেখে হাসির রোল নেটপাড়ায়। আর তার জেরে ম্যাচও হারল পাকিস্তান।
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড তোলে ২১০ রান। লক্ষ্য বেশি ছিল না। কিন্তু পাকিস্তান সেই রান তাড়া করতেই হিমশিম খেল। ১৬০ রানের মধ্যে ৯ উইকেট পড়ে যায়। তারপরও মোমিন কামার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন আলি রাজা। কিন্তু তিনি যেভাবে রানআউট হলেন, তা রীতিমতো হাস্যকর। যেন যেচে আউট হলেন।
পাকিস্তানের জিততে তখনও ২২ বলে ৩৮ রান দরকার ছিল। স্ট্রাইকিং এন্ডে ছিলেন রাজা। ইংরেজ ফিল্ডারের থ্রো এসে পৌঁছয় উইকেটকিপার থমাস রেউয়ের হাতে। এদিকে বল তাঁর দিকে আসছে দিকে রাজা লাইন থেকে পিছিয়ে যান। যেন বলকে উইকেটকিপারের হাতে যাওয়ার জন্য 'রাস্তা' করে দিলেন। খেয়ালই করেননি যে তিনি বা তাঁর ব্যাট ক্রিজের মধ্যে নেই। এই সুযোগ ছাড়েননি থমাস। বিদ্যুৎগতিতে স্টাম্প ভেঙে দেন। থার্ড আম্পায়ারের সাহায্য নিয়ে আউট দেওয়া হয় রাজাকে। পাকিস্তানের ইনিংসও থেমে যায়। তারা ৩৭ রানে হারে।
যা দেখে অনেকের মনে পড়ছে এশিয়া কাপে ভারতের বিরুদ্ধে মহম্মদ নওয়াজের আউট হওয়ার কথা। এক রান নেওয়ার পর দ্বিতীয় রান নিতে চেয়েছিলেন। সেটা সম্ভব না দেখে ফিরেও আসেন। সহজেই ক্রিজে ঢুকে যেতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেটা করেননি। সেই সুযোগে ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব উইকেট ভেঙে দেন। যতক্ষণে হুঁশ ফেরে, ততক্ষণে তিনি আউট।
