আইপিএলের দরজা আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এবার অন্যান্য় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ থেকেও বয়কট করা হতে পারে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের। সূত্রের খবর, ইংল্যান্ডের টি-২০ লিগ দ্য হান্ড্রেডে পাক ক্রিকেটারদের কিনবে না ভারতীয় মালিকানাধীন দলগুলি। বিশ্বকাপের পরেই হান্ড্রেডের নিলাম রয়েছে। গত মরশুমগুলির তুলনায় এবার নিলামে দলগুলির পার্সের পরিমাণ বাড়ানো হবে বলে শোনা যাচ্ছে। কিন্তু সেই অর্থ পাক ক্রিকেটারদের জন্য ঢালতে নারাজ দলগুলি।
আগামী ২১ জুলাই থেকে শুরু হবে হান্ড্রেড লিগ। ইংল্যান্ডের টি-২০ লিগে রয়েছে আইপিএলের বেশ কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি। ম্যাঞ্চেস্টার অরিজিনালসের মালিকানায় অংশীদারিত্ব পেয়েছে সঞ্জীব গোয়েঙ্কার আরপিএসজি গ্রুপ। ল্যাঙ্কাশায়ারের সঙ্গে পার্টনারশিপে টিম চালাবে তারা। এছাড়াও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের শেয়ার রয়েছে ওভাল ইনভিনসিবলসে, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের শেয়ার রয়েছে নর্দার্ন সুপারচার্জার্সে এবং দিল্লি ক্যাপিটালসের শেয়ার রয়েছে সাদার্ন ব্রেভ দলে। অর্থাৎ আট দলের মধ্যে চারটিতেই রয়েছে ভারতীয় মালিকানা।
কেবল হান্ড্রেড নয়, বিশ্বের সমস্ত টি-২০ লিগেই আইপিএলের মালিকানা থাকা দলগুলির মধ্যে প্রচলিত রয়েছে এই অলিখিত নিয়ম। পাকিস্তানের কোনও ক্রিকেটারকে কেনে না এই দলগুলি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইসিবি আধিকারিক জানিয়েছেন, যেসমস্ত টিমের সঙ্গে আইপিএলের যোগ রয়েছে তারা পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের নিয়ে আগ্রহ দেখাবে না। কেবল হান্ড্রেড নয়, বিশ্বের সমস্ত টি-২০ লিগেই আইপিএলের মালিকানা থাকা দলগুলির মধ্যে প্রচলিত রয়েছে এই অলিখিত নিয়ম। পাকিস্তানের কোনও ক্রিকেটারকে কেনে না এই দলগুলি। যদিও ইসিবির তরফ থেকে সরকারিভাবে বার্তা দেওয়া হয়েছে কোনও ক্রিকেটারের প্রতি যেন বৈষম্যমূলক আচরণ না হয়। তবে আইপিএল মালিকানাধীন দলগুলি পাক বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরবে না বলেই অনুমান।
উল্লেখ্য, একাধিক পাক ক্রিকেটার খেলেছেন হান্ড্রেডে। সেই তালিকায় রয়েছেন ইমাদ ওয়াসিম, মহম্মদ আমির, শাহিন আফ্রিদি, শাদাব খান, হ্যারিস রউফরা। তবে পাকিস্তানের মহিলা ক্রিকেটারদের কেউই হান্ড্রেডে খেলেননি। প্রসঙ্গত, দক্ষিণ আফ্রিকার SA20 লিগে পাকিস্তানের কোনও ক্রিকেটারকে দেখা যায়নি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর লিগেও আইপিএলের দলগুলি পাক ক্রিকেটারকে সই করায়নি। সেই বয়কটের ধারা বিলেতভূমেও অব্যাহত থাকবে বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।
