shono
Advertisement
Mohammedan

পাঁচ ম্যাচে ৭৫ গোল খাওয়া স্কোয়াডে ছিল না গোলকিপারই! প্রকাশ্যে মহামেডানের দুর্দশা

ফেডারেশনের সাবজুনিয়র লিগে ৭৫ গোল খেয়ে মহামেডানের দল তুলে নেওয়া নিয়ে ইতিমধ্যই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এর মধ্যে দুই প্রধানের কাছে মোট ৩৭ গোল খেয়েছে সাদা-কালোর খুদেরা।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 11:35 AM Feb 20, 2026Updated: 11:35 AM Feb 20, 2026

পাঁচ ম্যাচে ৭৫ গোল খেল মহামেডান! যদি পুরো টুর্নামেন্ট তারা খেলত তাহলে নিশ্চিতভাবে গোল খাওয়ার সংখ্যা একশো পেরিয়ে যেত বলাই যায়। ফেডারেশনের সাবজুনিয়র লিগে ৭৫ গোল খেয়ে মহামেডানের দল তুলে নেওয়া নিয়ে ইতিমধ্যই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এর মধ্যে দুই প্রধানের কাছে মোট ৩৭ গোল খেয়েছে সাদা-কালোর খুদেরা। কিন্তু কেন এমন হাল? সবাই যখন আঙুল তুলছে দলের কোচ মুরারী করের দিকে, ঠিক সেই সময় মুরারী মারাত্মক তথ্য তুলে ধরছেন। জানিয়েছেন, এই টুর্নামেন্টে যে চল্লিশ জনের রেজিস্ট্রেশন করানো হয়েছিল, সেই ফুটবলারদের মধ্যে একটিও গোলকিপার পজিশনের কেউ ছিল না। ভাবা যায়, সর্বভারতীয় টুর্নামেন্ট খেলতে যাচ্ছে মহামেডানের মতো একটি দল সেই দলে কোনও গোলকিপার নেই! অন্য পজিশনের ফুটবলাররা গোলকিপার পজিশনে খেলেছে।

Advertisement

কিন্তু কেন এমন হল? তার কারণ হিসাবে যা তথ্য দিচ্ছেন মুরারী তাতে ম্যানেজমেন্টের ব্যর্থতাই প্রকট হচ্ছে। মুরারী বলছেন, "মহামেডান ক্লাব যখন ফিফার নির্বাসনে ছিল, তখন বুঝতেই পারছিলাম না এবার আমাদের বয়সভিত্তিক দল এআইএফএফের লিগে খেলবে কি না। তাই আমাদের যে ভালো ফুটবলাররা ছিল তাদের রিলিজ করে দেওয়া হল। যখন আবার জানা গেল আমরা খেলব, তখন যে ফুটবলারদের মাথায় রেখে দল বানালাম, দেখা গেল টি ডব্লুথ্রি টেস্টে তারা পাস করতে পারেনি। এমনকী, কোনও গোলকিপারই এই ডাক্তারি পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি। তার ফল ভুগতে হল লিগে।"

যেহেতু মহামেডান আইএসএলের দল, তাই এই লিগে তারা কোয়ালিফায়ার রাউন্ড খেলে জোনাল পর্বে আসেনি। সরাসরি বাকি দুই প্রধানের সঙ্গে তারা খেলতে নেমেছিল জোনাল পর্বে। সিনিয়র দলে ভালো ফুটবলার আনতে বিশাল অর্থ লাগে। কিন্তু সাবজুনিয়র দল গড়তেও কি সেই অর্থ লাগে। প্রশ্ন উঠছে, ম্যানেজমেন্ট বুঝতেই পারেনি কী হতে চলেছে? যার ফলে বয়সভিত্তিক দলগুলো নিয়ে মাথা ঘামায়নি। হিসাব বলছে প্রত্যেকটি ম্যাচে গড়ে পনেরোটি গোল খেয়েছে তারা। বুধবার রাতেই ফেডারেশনের তরফ থেকে সরকারিভাবে ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছিল মহামেডানের নাম প্রত্যাহারের বিষয়টি। তার পরেই সাদা-কালো কার্যকরী সভাপতি কামরুদ্দিন বলছিলেন, "আমাদের আর কী করার আছে। এভাবে আর কত গোল খাওয়া দেখব আমরা। মোহনবাগান ম্যাচের পরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।"

ভবানীপুরের বিরুদ্ধে মহামেডান হেরেছে ০-১০ গোলে। ইস্টবেঙ্গলের কাছে হারতে হয়েছে ০-১৪ গোলে। বেঙ্গল ফুটবল অ্যাকাডেমির বিরুদ্ধে হেরেছে ০-১২ গোলে। এসকেএম কালনা স্পোর্টস ফাউন্ডেশনের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে ০-১৬ গোলে। ১১ ফেব্রুয়ারি মোহনবাগানের কাছে মহামেডান হেরেছে ০-২৩ গোলে। বুধবার সন্ধ্যায় সাব জুনিয়রে অংশ নেওয়া গ্রুপ এইচের ক্লাবেদের কাছে ফেডারেশনের থেকে ইমেল চলে যায় মহামেডানের দল তুলে নেওয়ার বিষয়টি। রাতে ফেডারেশনের ওয়েব সাইটের সাবজুনিয়র লিগ টেবিলে মহামেডানের সব পয়েন্ট আর ম্যাচের তথ্য মুছে ফেলা হয়। সেখানে লিগ টেবিলের শেষে মহামেডানের জায়গায় লেখা থাকে শূন্য।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement